শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ৭ সহকারী পুলিশ সুপার ও ৪৯ পরিদর্শককে বাধ্যতামূলক অবসর কমল সোনার দাম তিন দফা বৃদ্ধির পর জাহাজভাঙা কারখানায় বিস্ফোরণ: ৮ শ্রমিক নিহত ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল
  • জার্মানিতে উদ্ভাবনী কার্যক্রমে অভিবাসীদের অবদান বৃদ্ধি

    জার্মানিতে উদ্ভাবনী কার্যক্রমে অভিবাসীদের অবদান বৃদ্ধি
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    জার্মানিতে প্রতিটি ৭টি উদ্ভাবনমূলক কাজের একটি অভিবাসন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির দ্বারা করা হচ্ছে। জার্মান ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিক রিসার্চের সর্বশেষ গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০২২ সালে জার্মানিতে নিবন্ধিত পেটেন্টের ১৪ শতাংশে বিদেশি বংশোদ্ভূতরা জড়িত ছিলেন। ২০০০ সালে এই সংখ্যা ছিল মাত্র ৪.৯ শতাংশ।

    গবেষণায় দেখা গেছে, জার্মানিতে বসবাসরত পূর্ব, দক্ষিণ এবং দক্ষিণপূর্ব ইউরোপ এবং লাতিন অ্যামেরিকান ভাষাগোষ্ঠীর ব্যক্তিরা পেটেন্টের আবেদনের সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি অবদান রাখছেন। তালিকায় এরপরে রয়েছে আরবি এবং তুর্কি ভাষার জনগোষ্ঠী। গত ২৫ বছরে এই দুই ভাষার জনগোষ্ঠীর অবদান চারগুণ বেড়েছে বলে গবেষণায় পাওয়া গেছে।

    পেটেন্টের আবেদনে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের অবদানও বাড়ছে। ২০০০ সাল থেকে শুরু থেকে চলতি সময় পর্যন্ত বিবেচনায় নিয়ে বলা যায়, পেটেন্টের ক্ষেত্রে এই জনগোষ্ঠীর আবেদন এক দশমিক দুই শতাংশ বেড়েছে। 

    • ২০১৫ সালে আসা শরণার্থীদের ৬৪ শতাংশই কর্মরত
    এদিকে ২০১৫ সালে জার্মানিতে আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীদের প্রায় দুই তৃতীয়াংশ এই দশ বছরে নিজেদের কর্মক্ষেত্রে যুক্ত করেছেন। জার্মানির ন্যুরেমবুর্গ ইনস্টিটিউট ফর এমপ্লয়মেন্টের (আইএবি) সাম্প্রতিক এক জরিপে এই চিত্র উঠে এসেছে। 

    ২০১৫ সালে মূলত যুদ্ধ থেকে পালিয়ে সিরিয়ার শরণার্থীরা জার্মানিতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেসময় প্রায় ১০ লাখ শরণার্থী দেশটিতে আশ্রয় নেয়।

    গবেষণার ফলাফল বলছে, ওই সময়ে আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীদের ৬৪ ভাগ কর্মক্ষেত্রে যুক্ত রয়েছেন। শরণার্থী গোষ্ঠীর কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণের এই হার দেশটির সাধারণ জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণের হারের কাছাকাছি। জার্মানির সাধারণ মানুষের মধ্যে কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণের হার ৭০ ভাগ।

    কর্মক্ষত্রে অংশগ্রহণকারী শরণার্থীদের ৯০ শতাংশ দেশটির সামাজিক সুরক্ষা খাতে অবদান রাখছেন। জার্মানির সাধারণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে এই অবদানের হার ৯২ ভাগ। ইনফোমাইগ্রেন্টস।


    দৈএনকে/রে,আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন