শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ৭ সহকারী পুলিশ সুপার ও ৪৯ পরিদর্শককে বাধ্যতামূলক অবসর কমল সোনার দাম তিন দফা বৃদ্ধির পর জাহাজভাঙা কারখানায় বিস্ফোরণ: ৮ শ্রমিক নিহত ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল
  • ফিলিস্তিন থেকে রকেট নিক্ষেপ, ইসরায়েল সতর্ক অবস্থায়

    ফিলিস্তিন থেকে রকেট নিক্ষেপ, ইসরায়েল সতর্ক অবস্থায়
    পুরোনো ছবি
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী চালাচ্ছে ভয়াবহ ও ব্যাপক অভিযান, যা প্রায় পুরো অঞ্চলকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিয়েছে। এর মধ্যেও প্রতিরোধের ছায়া দেখা যাচ্ছে; মাঝে মাঝে গাজা থেকে ইসরায়েলের দিকে হামলার খবর আসছে।

    রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি সম্প্রদায়ের দিকে দুটি রকেট ছোড়া হয়েছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী একটিকে প্রতিহত করতে সক্ষম হলেও, দ্বিতীয়টি জনবসতিহীন এলাকায় আঘাত হানে। এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং নিরাপত্তা সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে।

    সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি চলার সঙ্গে সঙ্গে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়েছে।

    প্রায় তিন সপ্তাহের মধ্যে গাজা থেকে এটিই প্রথম রকেট নিক্ষেপের ঘটনা। রকেটের আঘাতে নেটিভোট শহর এবং আশেপাশের বেশ কয়েকটি সম্প্রদায়ে সাইরেন বেজে ওঠে। লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে তৎপর হয়ে উঠে বিশেষ বাহিনী। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই বিপদ কেটে গেছে বলে নাগরিকদের জানায় আইডিএফ।

    ম্যাগেন ডেভিড অ্যাডম জরুরি পরিষেবা জানিয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। স্থাপনা ক্ষয়ক্ষতিরও কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে তারা সতর্ক রয়েছেন এবং পরবর্তী ঘটনায় নজর রাখছেন।

    প্রসঙ্গত, গাজায় ইসরায়েলের টানা ৭০০ দিনের হামলায় প্রায় পুরো ভূখণ্ড ধ্বংস হয়ে গেছে। গাজা সরকারের গণমাধ্যম দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, অবকাঠামোর ৯০ শতাংশই ধ্বংস হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৮০০ কোটি ডলারেরও বেশি।

    এ হামলা শুধু ধ্বংসযজ্ঞ নয়, বরং পদ্ধতিগত গণহত্যা ও জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি নীতির প্রতিফলন। এ পর্যন্ত ৭৩ হাজার ৭০০ জন নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে আছেন ২০ হাজার শিশু ও ১২ হাজার ৫০০ নারী। প্রায় ২ হাজার ৭০০ পরিবার পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।

    এছাড়া নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ১ হাজার ৬৭০ স্বাস্থ্যকর্মী, ২৪৮ সাংবাদিক, ১৩৯ সিভিল ডিফেন্স সদস্য ও ১৭৩ পৌর কর্মী। আহত হয়েছেন আরও প্রায় ১ লাখ ৬২ হাজার মানুষ। অনেকেই অঙ্গচ্ছেদ, পক্ষাঘাত বা দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

    হামলায় ৩৮টি হাসপাতাল, ৮৩৩টি মসজিদ এবং ১৬৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়েছে। হাজার হাজার সরকারি ভবনও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবুও ইসরায়েল বলছে, ‘তাদের হামলার একমাত্র লক্ষ্যবস্তু হামাস সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্য এবং তাদের ব্যবহৃত স্থাপনা। হামাস ধ্বংসের মাধ্যমেই কেবল এ যুদ্ধ থামতে পারে।’


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন