বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মিরপুরে সংঘর্ষ-গাড়িতে আগুন, চার মামলায় আসামি প্রায় ১ হাজার ত্রুটি মেরামতের পর রূপপুরের প্রথম ইউনিটের নিরাপত্তা ভাল্বের পরীক্ষা সফল স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা: প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর পদত্যাগ করছেন বিএনপির এমপি মিষ্টি যৌথ অভিযানের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হুমকি-ধমকিতে বিএনপি ভীত নয়: মীর শাহে আলম সচিবালয়ে দর্শনার্থী প্রবেশে ওটিপি বাধ্যতামূলক ‘সময় এসে গেছে’, ইরান ইস্যুতে কঠোর বার্তা ট্রাম্পের পাকিস্তানের কাছে হেরে ফাইনাল হাতছাড়া বাংলাদেশের ফেনীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণে ১,৫৪২ কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী প্রবীণদের বার্ধক্য নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ হওয়া প্রয়োজন: রাষ্ট্রপতি
  • স্কুল বাঁচাতে কৃষকের বিরল ত্যাগ

    স্কুল বাঁচাতে কৃষকের বিরল ত্যাগ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ভারতের রাজস্থানের পাহাড়ি গ্রাম পিপলোডিতে ৬০ বছর বয়সী কৃষক মোর সিং দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন নিজের বাড়ি গ্রামের স্কুলকে দিয়ে। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারি বর্ষণে স্কুল ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরই মোর সিং এই নিঃস্বার্থ সিদ্ধান্ত নেন।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোর সিং কখনো স্কুলে যাননি, তবে তিনি তার সাধারণ দুই কক্ষের বাড়ি ৫০-৬০ শিক্ষার্থীর উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য উন্মুক্ত করেছেন। রাজ্য সরকার তার এই উদ্যোগের জন্য ২ লাখ রুপি আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে।

    পিপলোডিতে জুলাই মাসে এ বছর ৭০ বছরের মধ্যে সর্বাধিক বর্ষণ (২৮৫ মিমি) হয়। ২৫ জুলাই একটি শ্রেণিকক্ষের ছাদ ধসে সাত শিশুর মৃত্যু হয় ও ২১ জন আহত হয়। দুর্ঘটনার পর মোর সিং ও তার পরিবার অস্থায়ী ঝুপড়িতে চলে যান।

    মোর সিং বলেন, যদি দ্রুত সিদ্ধান্ত না নিতাম, অনেক শিশু স্কুল ছেড়ে দিত। পাশের গ্রামে যেতে ছোটদের জন্য পাহাড়ি দুই কিলোমিটার পথ পার হওয়া সম্ভব নয়। 

    তিনি বলেন, শিশুর ভবিষ্যতের জন্য নিজের স্বাচ্ছন্দ্যও ত্যাগ করতে প্রস্তুত।

    মোর সিংয়ের এই উদ্যোগের পর রাজ্য সরকার পিপলোডিকে ‘আদর্শ গ্রাম’ ঘোষণা করেছে। স্থানীয় কর্মকর্তা জানান, নতুন স্কুল, খেলার মাঠ, স্বাস্থ্যকেন্দ্রসহ অন্যান্য সুবিধার জন্য অতিরিক্ত তহবিল আসবে, যদিও নতুন স্কুল নির্মাণে অন্তত দেড় বছর সময় লাগবে।

    গ্রামে প্রায় ৯০টি পরিবার বাস করে, যাদের অধিকাংশই আদিবাসী। মোর সিং বলেন, আমরা দরিদ্র জনগোষ্ঠী, কোনো উন্নয়নই প্রায় দেখিনি। তাই শিশুদের শিক্ষা অত্যন্ত জরুরি।

    স্থানীয়রা তাকে ‘পুরো গ্রামের নায়ক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। দুর্ঘটনায় আহত রাম দয়ালের মেয়েসহ বহু শিশু এখন তার বাড়িতেই পড়াশোনা করছে।


    দৈএনকে/জে .আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন