স্বর্ণ বাজারে নতুন দিগন্ত, আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজন

সোনার বাজারে আধুনিকতা আনতে একটি নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল (ডব্লিউজিসি)। সংস্থাটি সোনাকে ডিজিটাল ইউনিটে রূপান্তরিত করে লেনদেন, নিষ্পত্তি এবং জামানতের কাজে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে। পরীক্ষামূলক এই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে ‘পুলড গোল্ড ইন্টারেস্টস’ (পিজিআই)। আগামী বছরের প্রথম প্রান্তিকে লন্ডনের বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এটির পরীক্ষামূলক ব্যবহার শুরু হবে।
ডব্লিউজিসির প্রধান নির্বাহী ডেভিড টেইট জানিয়েছেন, বর্তমানে অনেক ব্যাংক ও বিনিয়োগকারীর কাছে সোনা শুধু মজুদ সম্পদ হিসেবে রয়ে গেছে, যা থেকে সরাসরি আয় হয় না। নতুন এই ডিজিটাল রূপান্তর ব্যবস্থার মাধ্যমে সোনাকে আরও লাভজনক ও কার্যকর সম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, এ উদ্যোগ সোনাকে মার্জিন কল, জামানত এবং অন্যান্য আর্থিক কার্যক্রমে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করবে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ঐতিহ্যবাহী সোনার বাজারে পরিবর্তন গ্রহণযোগ্যতা পেতে সময় লাগতে পারে। অতীতে স্বর্ণ-সমর্থিত ডিজিটাল মুদ্রা তৈরির বেশ কয়েকটি উদ্যোগ সফল হয়নি। যদিও টিথার গোল্ড ও প্যাক্স গোল্ড আংশিক সাফল্য পেয়েছে, তবুও তাদের বাজার আকার তুলনামূলক ছোট। অন্যদিকে, শুধু স্বর্ণ-সমর্থিত এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ডে (ইটিএফ) বর্তমানে ৪০ হাজার কোটি ডলারের বেশি সম্পদ রয়েছে।
ডব্লিউজিসির এই নতুন ডিজিটাল স্বর্ণ প্রকল্প বিনিয়োগকারীদের জন্য সোনাকে ফিজিক্যাল মজুদের বাইরে একটি আধুনিক ও ট্রেডযোগ্য সম্পদে রূপান্তরিত করবে। ফলে বিশ্বব্যাপী ব্যাংক ও বিনিয়োগকারীরা সোনার ব্যবহার নতুন মাত্রায় নিতে পারবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দৈএনকে/জে .আ