শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • কমল সোনার দাম তিন দফা বৃদ্ধির পর সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙা কারখানায় বিস্ফোরণ: নিহত বেড়ে ৫ ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন, ঠাকুরগাঁওয়ে উল্লাস
  • ফোনালাপ ফাঁস, ক্ষমতাচ্যুত হলেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

    ফোনালাপ ফাঁস, ক্ষমতাচ্যুত হলেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতোংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে দেশটির সাংবিধানিক আদালত তার পদ থেকে অপসারণ করেছে।

    সম্প্রতি কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের সঙ্গে পেতোংতার্নের একটি ফোনালাপের রেকর্ড ফাঁস হয়। এ ঘটনায় আদালত প্রথমে তার পদ স্থগিত করেন। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে ওই ফোনালাপের প্রভাবের কারণে তাকে ক্ষমতা থেকে পুরোপুরি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    ২০২৪ সালের আগষ্টে থাইল্যান্ডের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন পেতোংতার্ন সিনাওয়াত্রা। মাত্র এক বছর পার হতেই ক্ষমতাচ্যুত হতে হলো তাকে। সদ্য সাবেক এ নারী থাই রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী সিনাওয়াত্রা পরিবারের সদস্য।

    ফাঁস হওয়া সেই ফোনকলে তাকে কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হুন সেনকে ‘আঙ্কেল’ বলতে শোনা যায়। ওই সময় তিনি তার নিজ দেশের সেনাবাহিনীর সমালোচনা করেন এবং দুঃখপ্রকাশ করে বলেন, তার সেনাদের কারণেই কম্বোডিয়ার এক সেনার প্রাণ গেছে।

    তার এ ফোনকলের রেকর্ড ভাইরাল হলে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয় থাইল্যান্ডজুড়ে। এর কয়েকমাস পর থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সেনাদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী এক সংঘাতও বেঁধে যায়; যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় যার অবসান হয়।

    গত ১৫ জুনের ওই ফোনকলে কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে পেতোংতার্ন আরও বলেন, যে কোনোকিছু চাইলে, আমাকে বলবেন। আমি বিষয়টি দেখব।

    তার এ কথাটি নিয়েই মূলত বেশি সমালোচনা হয়। ফোনকলটি ফাঁস হওয়ার সময় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছিল দুই দেশের সীমান্তে। ওই সময় থাইল্যান্ডের মানুষের মধ্যে জাতীয়তাবাদও প্রচণ্ডরকমভাবে দেখা যাচ্ছিল। তখনই ফোনকলটি সামনে আসে। যা সাধারণ মানুষের মধ্যেও বিরূপ প্রভাব ফেলে। বিরোধী দলগুলো অভিযোগ করে গোপনে থাইল্যান্ডের স্বার্থকে বিসর্জন দিচ্ছেন পেতোংতার্ন।

    অবশ্য, ফোনালাপ ফাঁসের পর নিজ দেশের জনগণের কাছে ক্ষমা চান পেতোংতার্ন এবং দাবি করেন, কম্বোডিয়ার সঙ্গে উত্তেজনা প্রশমনের কৌশল হিসেবেই এভাবে কথা বলেছিলেন তিনি।

    কিন্তু, গত ১ জুলাই থাইল্যান্ডের সাংবিধানিক আদালত তার প্রধানমন্ত্রীর পদ স্থগিত করে দেয়। যদিও তিনি সংস্কৃতিমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভায় রয়ে গিয়েছিলেন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন