শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ‘ফুল নয়, শিক্ষার্থীদের দাবি আদায়ই ছাত্রদলের প্রধান দায়িত্ব’ ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্প: মৃত ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি মাছ চাষে বাংলাদেশের সাফল্যে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু স্টয়নিসের ঝড়ে এক ওভারে ৫ ছক্কা, দুঃস্বপ্নের ম্যাচ ইয়ান হল্যান্ডের গুমের ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে, ছাড় নয়: মির্জা ফখরুল চীন সফর শেষে আজ রাতে ঢাকায় ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী, শোডাউন না করতে নির্দেশ তারেক-শি বৈঠকে নতুন গতি, বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে ১৭ সমঝোতা সই ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে নিহতদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শোক ও সমবেদনা স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, জনবান্ধব সেবায় জোর সরকারের
  • সফরে চলতে চলতে নামাজ আদায়ের নির্দেশনা

    সফরে চলতে চলতে নামাজ আদায়ের নির্দেশনা
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ব্যস্ত জীবনের কারণে অনেক সময় আমরা স্থির স্থান না পেয়ে নামাজ আদায় করতে সমস্যায় পড়ি। কিন্তু ইসলামিক শিক্ষা অনুযায়ী প্রয়োজনে চলন্ত যানবাহনেও নামাজ আদায় করা যায়। গুরুত্বপূর্ণ হলো সঠিক নিয়ম ও শারীরিক অবস্থান বজায় রাখা। চলন্ত গাড়ি, ট্রেন বা অন্য কোনো যানবাহনে নামাজ পড়ার সময় কিছু বিষয় মাথায় রাখলে সহজেই নামাজ আদায় করা সম্ভব। এই লেখায় আমরা দেখাব কীভাবে চলন্ত অবস্থায় নামাজ পড়া যায় শারীরিক ও শারিয়াহ অনুযায়ী।
    প্রশ্ন

    • মুহতারাম সবিনয় নিবেদন এই যে, আমার একটি প্রশ্ন রয়েছে। অনুগ্রহপূর্বক শরয়ি দলিল-প্রমাণের আলোকে নিম্নলিখিত প্রশ্নটির সঠিক সমাধান প্রদান করে বাধিত করবেন। প্রশ্নগুলো নিম্নরূপ :

    ১. চলন্ত লঞ্চ, জাহাজ, বিমান, বাস, ট্রেনে নামাজ আদায় করার বিধান কী ও তার পন্থা কী?

    উত্তর

    • চলন্ত লঞ্চ, জাহাজ, ট্রেন ও বিমানে ফরজ নামাজ সম্ভব হলে কেবলামুখী হয়ে দাঁড়িয়ে রুকু-সিজদাসহ আদায় করবে। দাঁড়ানো যদি কষ্টকর হয় তাহলে বসে স্বাভাবিক রুকু-সিজদা করে নামাজ আদায় করবে।

    এভাবে নামাজ আদায় করতে পারলে পরবর্তী সময়ে তা পুনরায় পড়তে হবে না। আর যদি কেবলামুখী হয়ে রুকু-সিজদার সঙ্গে নামাজ আদায় করা সম্ভব না হয়, তাহলে যেভাবে সম্ভব বসে বা ইশারায় নামাজ পড়ে নেবে। এ ক্ষেত্রে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এলে সতর্কতামূলক ওই ফরজ নামাজ পরবর্তী সময়ে আবার পড়ে নেবে।
    আর বাসে যেহেতু সাধারণত দাঁড়িয়ে স্বাভাবিকভাবে নামাজ পড়া যায় না, তাই কাছাকাছি যাতায়াতের ক্ষেত্রে ওয়াক্ত শেষ হওয়ার আগে গন্তব্যে পৌঁছে নামাজ আদায় করা সম্ভব হবে না বলে মনে হলে এবং নেমে যাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ অথবা অসুবিধাজনক না হলে পথিমধ্যে নেমে ফরজ নামাজ পড়ে নেবে।

    আর দূরের যাত্রা হলে অথবা যে ক্ষেত্রে নেমে গেলে ঝুঁকি অথবা সমস্যায় পড়ার আশঙ্কা থাকে, সে ক্ষেত্রে বাস না থামলে সিটেই যেভাবে সম্ভব বসে বা ইশারায় নামাজ আদায় করে নেবে এবং সতর্কতামূলক পরবর্তী সময়ে এর কাজা করে নেবে।
    উল্লেখ্য, দীর্ঘ যাত্রায় বাসচালকদের উচিত, ফরজ নামাজ আদায়ের সুবিধার্থে কোনো মসজিদে যাত্রাবিরতি করা। এ বিষয়ে বাস মালিকদেরও ইতিবাচক নির্দেশনা দিয়ে রাখা উচিত। এ ক্ষেত্রে মালিক সমিতি ও শ্রমিক সমিতিগুলো যথাযথ ভূমিকা পালন করতে পারে।

    আর যাত্রীদের কর্তব্য হলো, বাসের একজন মুসল্লি নামাজ পড়তে চাইলেও তার জন্য বাস থামাতে চালককে নির্দেশনা দিয়ে রাখা।
    -(ইলাউস সুনান ৭/২১২; মাআরিফুস সুনান ৩/৩৯৪; আদ্দুররুল মুখতার ২/১০১)


    দৈএনকে/ জে. আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ