শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন, ঠাকুরগাঁওয়ে উল্লাস মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল, নতুন দায়িত্বে সালাহউদ্দিন-এ্যানি বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত পরিচালক রহিমের বিরুদ্ধে জাল বিল-ভাউচার ও দুর্নীতির অভিযোগ
  • ট্রাম্পের দাবি: জেলেনস্কি চাইলে মুহূর্তেই যুদ্ধ শেষ সম্ভব

    ট্রাম্পের দাবি: জেলেনস্কি চাইলে মুহূর্তেই যুদ্ধ শেষ সম্ভব
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনের ওপর চাপ বাড়িয়েছেন, যাতে তারা রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ শেষের জন্য একটি চুক্তিতে রাজি হয়। ট্রাম্পের দাবি, চাইলে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি “অতি দ্রুতই” এই সংঘাতের ইতি টানতে পারেন।

    সোমবার (১৮ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

    সংবাদমাধ্যমটি বলছে, সোমবার হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা রয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকের আগে মার্কিন রিপাবলিকান এই প্রেসিডেন্ট সতর্ক করে বলেন, যেকোনো আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছাতে হলে রাশিয়ার দখলে থাকা ক্রিমিয়াকে (ইউক্রেনের কাছে) ফিরিয়ে আনা বা ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগদানের বিষয়টি বাদ দিতে হবে।

    ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে রোববার বলেন, “ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি যদি চান, তাহলে প্রায় তাৎক্ষণিকভাবে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করতে পারেন, অথবা তিনি যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারেন। মনে রাখবেন কিভাবে সব শুরু হয়েছিল— ক্রিমিয়া ফিরে পাওয়া যায়নি, ন্যাটোতেও যোগ দেওয়া যায়নি। কিছু বিষয় কখনও পরিবর্তন হয় না।”

    আল জাজিরা বলছে, ট্রাম্পের এই মন্তব্যের মধ্যেই ইউরোপীয় নেতারা জেলেনস্কির সঙ্গে হোয়াইট হাউসে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, কারণ ব্রাসেলস ও কিয়েভের আশঙ্কা, ট্রাম্প এমন কোনো সমঝোতা স্বাক্ষর করতে পারেন যা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পক্ষে অত্যধিক সুবিধাজনক হতে পারে।

    ট্রাম্পের মন্তব্যের কিছুক্ষণ পর জেলেনস্কি বললেন, পূর্বে ক্রিমিয়াসহ কিছু ক্ষেত্রে পুতিনের কাছে ইউক্রেনের ছাড় দেওয়া শুধু তাকে আরও আক্রমণ চালাতে উৎসাহিত করেছে।

    তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, “আমরা সবাই চাই এই যুদ্ধ দ্রুত ও নির্ভরযোগ্যভাবে শেষ হোক। এবং শান্তি স্থায়ী হতে হবে। যেমনটা বছরের আগে হয়নি— যখন ইউক্রেনকে ক্রিমিয়া ও পূর্বাঞ্চলের কিছু অংশ (ডনবাস) ছাড়তে হয়েছিল এবং পুতিন তা ব্যবহার করেছিল নতুন আক্রমণের জন্য। ১৯৯৪ সালের নিরাপত্তা নিশ্চয়তাও কাজ করেনি।”

    জেলেনস্কি আরও বলেন, “ক্রিমিয়া তখন ছাড়ানো উচিত ছিল না, যেমন ২০২২ সালের পরেও ইউক্রেনীয়রা কিয়েভ, ওডেসা বা খারকিভ ছাড়েনি। ইউক্রেনীয়রা তাদের ভূমি ও স্বাধীনতার জন্য লড়াই করছেন।”

    যদিও ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তিতে কিছু ভূখণ্ড বিনিময়ের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, তবে জেলেনস্কি বারবার নিশ্চিত করেছেন যে ইউক্রেনীয় ভূখণ্ড “দখলকারীর” হাতে দেওয়া হবে না।

    ইউরোপীয় নেতারা — যাদের মধ্যে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন, জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্জ ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ — সোমবারের হোয়াইট হাউস বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন। ট্রাম্পকে ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন বজায় রাখার জন্য চাপ দিতেই এই বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন তারা।


    দৈএনকে/ জে .আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন