বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মরিয়মের মৃত্যু: আপসনামার পরও নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি এলপিজি সরবরাহে ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট হলে ব্যবস্থা: জ্বালানি মন্ত্রী আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়েকে নিয়ে আমিরাতে ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯৪৮ রামসু বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সেনাবাহিনী: মাসব্যাপী উন্নয়ন কার্যক্রমের সমাপনী নীতি সুদহার ৯.৫০ শতাংশেই রাখল বাংলাদেশ ব্যাংক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে ল্যাপটপ চুরির অভিযোগ রাশেদ খাঁনের মিরপুরে সংঘর্ষের পর সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের জাতিসংঘে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবিক রাষ্ট্রের বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন মরিয়মের বাবার আপসনামা দাখিল, জামিন পেলেন মাকসুদা; কারাগারেই নজরুল
  • ভারতের বিমান প্রধানের দাবি:

    অপারেশন সিঁদুরে ৫ পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান ধ্বংস

     অপারেশন সিঁদুরে ৫ পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান ধ্বংস
    ছবি: সংগৃহিত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারতের বিমানবাহিনী ছয়টি পাকিস্তানি বিমান ধ্বংস করেছে, যার মধ্যে পাঁচটি যুদ্ধবিমান এবং একটি বড় আকারের বিমান রয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভারতের বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং।

    তিনি জানান, আকাশে চলমান যুদ্ধে ছয়টি বিমান ধ্বংসের পাশাপাশি পাকিস্তানের বিভিন্ন বিমানঘাঁটিতে করা হামলায় আরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

    বেঙ্গালুরুর ১৬তম বার্ষিক ‘এয়ার চিফ মার্শাল এলএম কাটরে লেকচারে এয়ার চিফ মার্শাল আরও বলেন, আমরা পাঁচটি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছি এবং একটি বড় আকারের বিমান।

    তিনি রাশিয়া থেকে কেনা এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে গেম-চেঞ্জার আখ্যা দিয়ে বলেন, পাকিস্তান এই ব্যবস্থার ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি।

    তিনি বলেন, আমাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দারুণভাবে কাজ করেছে। সদ্য কেনা এস-৪০০ এর ব্যাপ্তি তাদের বিমানগুলোকে আমাদের অঞ্চলে প্রবেশ করতে দেয়নি। পাকিস্তানের কাছে যেসব দূরপাল্লার গ্লাইড বোমা রয়েছে, তা ব্যবহারের সুযোগই তারা পায়নি।

    তিনি আরও জানান, পাকিস্তানের জ্যাকবাবাদ ও ভোলারি বিমানঘাঁটিতে ভারতীয় বাহিনী আক্রমণ চালায়।

    বিমানবাহিনী প্রধান বলেন, ভারতীয় বাহিনীর আঘাতে পাকিস্তান বুঝতে পারে, সংঘাত চলতে থাকলে তাদের ক্ষতি আরও বাড়বে। এর পরই তারা যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানায়। এই সংঘাতের ইতি ঘটে ১০ মে।

    তিনি রাজনৈতিক নেতৃত্বকেও ধন্যবাদ জানান, কারণ তারা বাহিনীকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছিল পরিকল্পনা ও অভিযান চালাতে।

    এয়ার চিফ মার্শাল সিং বলেন, সফলতার মূল কারণ ছিল রাজনৈতিক সদিচ্ছা। আমাদের স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। কোনো প্রকার নিষেধাজ্ঞা ছিল না। আমরা নিজেরাই ঠিক করেছিলাম, কতটা উত্তেজনা বাড়াবো। আমাদের পুরো স্বাধীনতা ছিল পরিকল্পনা ও অভিযান চালানোর। আমরা পরিপক্কতা বজায় রেখে হামলা চালিয়েছি।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন