শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন, ঠাকুরগাঁওয়ে উল্লাস মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল, নতুন দায়িত্বে সালাহউদ্দিন-এ্যানি বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত পরিচালক রহিমের বিরুদ্ধে জাল বিল-ভাউচার ও দুর্নীতির অভিযোগ
  • খাবারের অভাবে গাজায় শিশুমৃত্যু বৃদ্ধিতে উদ্বেগ, ইউনিসেফের যুদ্ধবিরতির আবেদন

    খাবারের অভাবে গাজায় শিশুমৃত্যু বৃদ্ধিতে উদ্বেগ, ইউনিসেফের যুদ্ধবিরতির আবেদন
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    গাজায় ইসরায়েলের আরোপিত মানবিক সহায়তা নিষেধাজ্ঞার কারণে অঞ্চলটিতে ভয়াবহ খাদ্য ও পুষ্টিহীনতা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিদিন গড়ে ২৮ জন শিশু মৃত্যুবরণ করছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ।

    সোমবার (৪ আগস্ট) এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, মানবিক সহায়তার প্রবেশে বাধা, বিশুদ্ধ পানি ও চিকিৎসা সেবার অভাব, এবং টানা সংঘাত শিশুদের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা তৈরি করেছে। ইউনিসেফের মতে, এই পরিস্থিতির অবসানে জরুরি ভিত্তিতে মানবিক করিডোর চালু করা ও সহায়তা প্রবাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

    সংস্থাটি আরও জানায়, শিশুমৃত্যুর এই হার শুধু উদ্বেগজনকই নয়, বরং এটি একটি মানবিক বিপর্যয়ের ইঙ্গিত বহন করে। ত্রাণের সুষ্ঠু সরবরাহ ও অব্যাহত সহায়তা ছাড়া গাজার শিশুদের জীবন রক্ষা করা সম্ভব নয়।

    এই তথ্য তুলে ধরে তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদুলু এজেন্সিও একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

    এক্স পোস্টে ইউনিসেফ জানিয়েছে, গাজায় শিশুরা বোমাহামলা, পুষ্টিহীনতা, অনাহার এবং পর্যাপ্ত সহায়তার অভাবে মারা যাচ্ছে। সেখানে প্রতিদিন ২৮ জন শিশুর মৃত্যু হচ্ছে। যা একটি শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের সমান।

    সংস্থাটি বলছে, গাজায় শিশুদের জন্য দ্রুত খাদ্য, নিরাপদ পানি, ওষুধ এবং সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ দরকার। এর থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো সেখানে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা। 

    আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আহ্বান সত্ত্বেও ইসরায়েল সেনাবাহিনী ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর সেখানে ভয়াবহ হামলা ও দখল চালিয়ে যাচ্ছে। হামলায় এ পর্যন্ত ৬১ হাজার ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে অর্ধেকই নারী ও শিশু। 

    এছাড়া ইসরায়েল সেনাবাহিনীর অব্যাহত হামলা উপত্যকাটিকে দুর্ভিক্ষ ও ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিয়েছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন