শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন, ঠাকুরগাঁওয়ে উল্লাস মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল, নতুন দায়িত্বে সালাহউদ্দিন-এ্যানি বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত পরিচালক রহিমের বিরুদ্ধে জাল বিল-ভাউচার ও দুর্নীতির অভিযোগ
  • জনসংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে চীনের নতুন ভর্তুকি কর্মসূচি

    জনসংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে চীনের নতুন ভর্তুকি কর্মসূচি
    ছবি: সংগৃহিত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    চীন সরকার প্রথমবার জাতীয় স্তরে তিন বছরের নিচে প্রতিটি শিশুর জন্য প্রতি বছর ৩৬০০ ইউয়ান (প্রায় ৫০০ মার্কিন ডলার বা ৪০ হাজার টাকা) নগদ ভর্তুকি প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে। এই পদক্ষেপটি দেশের জন্মহার বাড়ানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে পারিবারিক খরচ কমানো এবং শিশুসংখ্যা বৃদ্ধি করা লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

    প্রায় এক দশক আগে বিতর্কিত এক-সন্তান নীতি বাতিল করার পরও চীনের জন্মহার অব্যাহতভাবে হ্রাস পাচ্ছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, নতুন এই ভর্তুকির ফলে প্রায় ২ কোটি পরিবার শিশু প্রতিপালনে আর্থিক সহায়তা পাবে।

    চীনের বিভিন্ন প্রদেশে ইতিমধ্যেই পরীক্ষামূলকভাবে জন্মহার বাড়াতে নগদ সহায়তার বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটি বর্তমানে একটি ভয়াবহ জনসংখ্যাগত সংকটের মুখে পড়েছে। গতকাল সোমবার ঘোষিত এই নতুন স্কিম অনুযায়ী, প্রতিটি শিশুর জন্য সর্বোচ্চ ১০ হাজার ৮০০ ইউয়ান পর্যন্ত ভর্তুকি পাবে পরিবারগুলো। বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, এই নীতি ২০২৪ সালের শুরু থেকে কার্যকর ধরা হবে, অর্থাৎ পেছন থেকে প্রযোজ্য হবে।

    ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে যেসব শিশু জন্মেছে, তাদের ক্ষেত্রেও আংশিক ভর্তুকির জন্য আবেদন করা যাবে। এটি চীনের জন্মহার বাড়াতে স্থানীয় সরকারগুলোর নানা উদ্যোগেরই একটি সম্প্রসারণ। গত মার্চে চীনের উত্তরের শহর হোহোট তিনটি বা তার বেশি সন্তান রয়েছে এমন দম্পতিদের প্রতিটি শিশুর জন্য ১ লাখ ইউয়ান পর্যন্ত ভর্তুকি দেওয়ার ঘোষণা দেয়।

    বেইজিংয়ের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত শেনইয়াং শহরে, তৃতীয় সন্তানের বয়স তিন বছরের কম হলে পরিবারগুলোকে প্রতি মাসে ৫০০ ইউয়ান করে সহায়তা দেওয়া হয়।

    গত সপ্তাহে বেইজিং সরকার স্থানীয় প্রশাসনগুলোকে বিনামূল্যে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা তৈরি করতে বলেছে। 
    চীনের ইউওয়া পপুলেশন রিসার্চ ইনস্টিটিউটের এক গবেষণায় দেখা গেছে, তুলনামূলকভাবে শিশু লালনপালনে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল দেশগুলোর একটি চীন। গবেষণাটি বলছে, চীনে একটি শিশুকে ১৭ বছর পর্যন্ত বড় করতে গড়ে ৭৫ হাজার ৭০০ মার্কিন ডলার খরচ হয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০২৪ সালে টানা তৃতীয় বছরের মতো চীনের জনসংখ্যা হ্রাস পেয়েছে।

    চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশটিতে জন্ম হয়েছে মাত্র ৯৫ লাখ ৪০ হাজার শিশুর।

    যদিও এটি আগের বছরের তুলনায় কিছুটা বেশি, তবে সামগ্রিকভাবে চীনের জনসংখ্যা হ্রাস পেতেই থাকছে। বর্তমানে চীনের জনসংখ্যা প্রায় ১.৪ বিলিয়ন বা ১৪০ কোটির কাছাকাছি। তবে এই বিশাল জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধ বয়সের দিকে যাচ্ছে—যা বেইজিংয়ের জন্য আরো বড় জনসংখ্যাগত উদ্বেগ তৈরি করছে।


     


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন