বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন, ঠাকুরগাঁওয়ে উল্লাস মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল, নতুন দায়িত্বে সালাহউদ্দিন-এ্যানি বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত পরিচালক রহিমের বিরুদ্ধে জাল বিল-ভাউচার ও দুর্নীতির অভিযোগ
  • আদানিকে বাংলাদেশ সরকারের ৪৩ কোটি ডলার পরিশোধ

    আদানিকে বাংলাদেশ সরকারের ৪৩ কোটি ডলার পরিশোধ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ভারতীয় প্রতিষ্ঠান আদানি পাওয়ারকে বাংলাদেশের বকেয়া অর্থ পরিশোধ করেছে—৩১ মার্চ পর্যন্ত মামলাটি প্রায় নিষ্পত্তিতে এসেছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানাচ্ছে। সর্বশেষ কিস্তিতে ৪৩.৭০ কোটি ডলার পরিশোধের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির আর্থিক বিষয়গুলো বেশ স্বাভাবিক অবস্থা নিয়েছে।

    ভারতীয় বার্তাসংস্থা PTI-র বরাতে দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য ইকোনমিক টাইমস এ খবর নিশ্চিত করেছে ।

    চুক্তির আওতায় ঝাড়খণ্ডের ১৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ। আগে প্রতি মাসে নয় থেকে ১০ কোটি ডলার মূল্য পরিশোধ করতে হচ্ছিল। তবে বিভিন্ন টানাপড়েনে মাঝে অনেকটা বকেয়া জমে যায়। গত মাসে বড় একটা কিস্তি দেওয়ার মাধ্যমে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টা অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।


    দেনা শোধের বিষয়ে অবগত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কর্মকর্তার বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, বকেয়া, পরিবহন এবং বিলম্ব ফি দেওয়ার পর চুক্তিগত এবং আর্থিক দিক দিয়ে সব স্বাভাবিক হয়েছে। বিদ্যুৎক্রয় চুক্তিটিকে ‘ক্লিন চিট’ দেওয়া হয়েছে।

    আদানির কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ চাহিদার প্রায় ১০ শতাংশ সরবরাহ করা হয়। বকেয়া সমস্যা সমাধানের পর এখন বাংলাদেশ সরকার আদানি পাওয়ারকে কেন্দ্রের ৮০০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিটই পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে, যা বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চাহিদা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।

    চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বকেয়া ৩০ জুনের মধ্যে পরিশোধ করলে বিলম্ব ফি মওকুফ করার বিষয়ে সম্মত হয়েছিল আদানি পাওয়ার। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, বাংলাদেশ এখন সময়মতো বকেয়া পরিশোধ করছে।

    ভবিষ্যতে মূল্য পরিশোধে সমস্যা এড়াতে বাংলাদেশ সরকার দুই মাসের বিলের সমান অর্থমূল্যের (প্রায় ১৮ কোটি ডলার) লেটার অব ক্রেডিট ও বাকি সকল পাওনার জন্য সার্বভৌম গ্যারান্টি প্রদান করেছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন