বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন, ঠাকুরগাঁওয়ে উল্লাস মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল, নতুন দায়িত্বে সালাহউদ্দিন-এ্যানি বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত পরিচালক রহিমের বিরুদ্ধে জাল বিল-ভাউচার ও দুর্নীতির অভিযোগ
  • গরুর মাংসের বাজারে ক্রেতা সংকট, স্বস্তি মুরগি-মাছের দামে

    গরুর মাংসের বাজারে ক্রেতা সংকট, স্বস্তি মুরগি-মাছের দামে
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    রাজধানীর বাজারগুলোতে গরুর মাংসের দাম চড়া থাকায় অনেকেই বিকল্প হিসেবে মুরগি ও মাছের দিকে ঝুঁকছেন। প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা মধ্যবিত্ত ও স্বল্প আয়ের মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। অন্যদিকে, তুলনামূলকভাবে কম দামে মিলছে ব্রয়লার ও অন্যান্য জাতের মুরগির মাংস, যার ফলে সেই দিকেই ঝুঁকছেন বেশিরভাগ ক্রেতা।

    শুক্রবার (২০ জুন) সকালে রাজধানীর বাড্ডা, রামপুরা, বনশ্রীসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এবং বিক্রেতা ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র উঠে আসে।

    মুরগির দামে স্বস্তি: বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায়। সোনালি মুরগি: ২৩০–২৪০ টাকা, দেশি মুরগি: ৫০০–৫৫০ টাকা, 
    সাদা লেয়ার: ২৩০ টাকা, লাল লেয়ার: ২৪০ টাকা, হাঁস (প্রতি পিস): ৬০০–৭০০ টাকা। মুরগি বিক্রেতারা বলছেন, দাম কম থাকায় বিক্রিও ভালো। অনেক ক্রেতা বেশি পরিমাণে কিনে ফ্রিজে সংরক্ষণ করছেন।

    রামপুরা বাজারের বিক্রেতা রাসেল মিয়া বলেন, “বাজার অস্থির। কেউ মুরগি ধরে রাখতে চায় না। রাখতে গেলেই মারা যায়। তাই লাভ না হলেও ছাড় দিয়ে বিক্রি করছি।”

    আরেক বিক্রেতা সাইদুল ইসলাম বলেন, “লাভ খুব একটা নেই, তবে খরচটা উঠছে এতেই খুশি।”

    গরু ও খাসির মাংসে আগুন: গরুর মাংস: ৭৮০–৮০০ টাকা/কেজি, খাসির মাংস: ১,২৫০ টাকা/কেজি, ছাগলের মাংস: ১,১০০ টাকা/কেজি।

    গৃহিণী মনিরা বেগম বলেন, “এক কেজি গরুর মাংস নিয়েছি ৮০০ টাকায়। দাম অনেক বেশি, কিন্তু কিছু করার নেই। দামাদামির সুযোগও নেই।”

    স্কুল শিক্ষক বিল্লাল হোসেন জানান, “গরুর মাংস এখন দামের কারণে একরকম বিলাসিতা। মুরগির মাংসই বেশি নিচ্ছি—বাচ্চারাও সেটা বেশি পছন্দ করে।”

    মাছের বাজারে কিছুটা স্থিতিশীলতা: বেশিরভাগ মাছের দাম আগের মতোই রয়েছে। কিছু মাছের দাম সামান্য বেড়েছে বা কমেছে। রুই: ৩০০–৩৫০ টাকা, কাতল: ৩৪০–৪০০ টাকা, চিংড়ি: ৭০০–৮০০ টাকা, টেংরা: ৬০০–৭০০ টাকা, চাষের শিং, মাগুর: ৫০০ টাকা, চাষের কৈ: ২০০–২৫০ টাকা, পাঙাশ: ১৮০–২২০ টাকা, তেলাপিয়া: ১৫০–২২০ টাকা, বোয়াল: ৬০০–৭০০ টাকা, পোয়া: ৪০০ টাকা, আইড়: ৭০০–৭৫০ টাকা, দেশি কৈ: ৮০০–১০০০ টাকা, দেশি শিং: ১০০০–১২০০ টাকা

    মহাখালী কাচাঁ বাজার এলাকার মাছ বিক্রেতা জসিম উদ্দিন বলেন, “মাছের দাম খুব বেশি ওঠানামা করছে না। ইলিশের দাম কিছুটা বেড়েছে, তবে অন্য মাছের বিক্রি ভালো।”


    এন কে/বিএইচ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ