শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • নদী খনন কাগজে, অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ বাস্তবে, বিআইডব্লিউটিএর মাফিয়া ছাইদুর! ঠাকুরগাঁও-১ আসনে কারচুপি হলে সরকার পতনের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি গোলাম পরওয়ারের মোহাম্মদপুরে বিশেষ অভিযান, নারী-পুরুষ ও কিশোরসহ গ্রেপ্তার ১৩ জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি শফিকুর রহমান মারা গেছেন সিগন্যাল আধুনিকায়নে ৪২ কোটি টাকার কাজ নিয়ে বিতর্ক, দরপত্রের শর্ত বদলানোর অভিযোগ সাইবার নিরাপত্তা সতর্কতায় তৃতীয় দিনেও বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১ হাজার ২২২ চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে পুলিশকে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা দিতে নতুন আইন সারাদেশের ১১ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের গল্প ‘অন্যপাতা’ প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে থাকছেন না টোকিওর রাষ্ট্রদূত দাউদ আলী
  • ঈদের পর মাংস বিক্রি স্তব্ধ, মাছ-ডিম-মুরগিতে মিলছে স্বস্তি

    ঈদের পর মাংস বিক্রি স্তব্ধ, মাছ-ডিম-মুরগিতে মিলছে স্বস্তি
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ঈদুল আজহার পর রাজধানীর বাজারগুলোতে গরু-খাসির মাংসের চাহিদা অনেকটাই কমে গেছে। দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতারা বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। অন্যদিকে, তুলনামূলক সস্তা হওয়ায় মাছ, মুরগি ও ডিমের বাজারে স্বস্তি ফিরে এসেছে, যা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের কাছে ভালো খবর।

    বাজারের ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের কারণে অনেকেই এখনো ঘরে কোরবানির মাংস রান্না করছেন। যারা কোরবানি দেননি, তারা দামের কারণে গরু-খাসির মাংস কেনা থেকে বিরত রয়েছেন। সেই জায়গায় মাছ, ব্রয়লার মুরগি এবং ডিমের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। সাধারণ মানুষের পকেটে টান পড়ায় এই তিনটি পণ্যের বাজারে ফের চলছে স্বাভাবিক গতি।

    রাজধানীর মিরপুর কাঁচাবাজার, পল্লবী ও শেওড়াপাড়া এলাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে জানা গেছে, ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা, সোনালি মুরগির দাম ২২০ থেকে ২৩৫ টাকা এবং দেশি মুরগির দাম ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকার মধ্যে রয়েছে। ডিমের দামও কিছুটা কমে ১৩০ টাকায় প্রতিদিনের চাহিদা পূরণ করছে।

    মুরগি বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, ঈদের পর বিক্রি খুবই কমে গিয়েছিল, কিন্তু এখন ধীরে ধীরে ক্রেতার আগমন শুরু হয়েছে। ডিম বিক্রেতারা বলছেন, অফিস ও স্কুল খুলে যাওয়ায় ডিমের চাহিদা বাড়ছে এবং সরবরাহ ভালো হওয়ায় দাম নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

    মাছের বাজারেও ঈদের ছুটির পর বড় ধরনের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। রুই, কাতল, পাবদা, চিংড়ি ও টেংরার দাম সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকায় ক্রেতারা আবার মাছ কেনার দিকে ঝুঁকছেন। তবে দেশি জাতের শিং ও কৈ এখনও বেশ দামি।

    অন্যদিকে, গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১১০০ টাকায় বিক্রি হলেও ক্রেতার সংখ্যা খুবই কম। আগারগাঁওয়ের তালতলা এক মাংস বিক্রেতা জানান, ঈদের পর সাধারণত মাংসের বিক্রি কম থাকে, আর এইবারও সেইভাবেই দেখা যাচ্ছে।

    সব মিলিয়ে, ঈদের পর দামের বৈষম্যের কারণে অনেক ক্রেতা মাছ, ডিম ও মুরগিতে ফিরছেন, যেখানে তারা বাজেটে সামঞ্জস্য রেখে সহজেই কেনাকাটা করতে পারছেন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন