সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ভেড়ামারায় ৩ লাখ টাকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ, ধ্বংস আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতায় ১,২৭৬ কোটি টাকার প্রকল্প হারানো সরকারি অস্ত্রের সন্ধানে পুরস্কার ঘোষণা র‍্যাবের কার্যালয়ে বসেই স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি মনিটর করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁওয়ে কিশোরী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন বিয়ে করলেন মরিয়ম নওয়াজের মেয়ে মাহনূর বিনোদন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান খুললেন সাবেক কানাডীয় প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো ডিএমপিতে এসি পদমর্যাদার ৩ কর্মকর্তার পদায়ন, একজনের বদলি বাতিল ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল এনসিপি অনুসন্ধানে বিদেশে কিছু পেলে আমাকে শুধু ১০ পারসেন্ট দিয়েন: আসিফ মাহমুদ
  • সকাল নাকি বিকাল – কোন সময় হাঁটা বেশি উপকারী?

    সকাল নাকি বিকাল – কোন সময় হাঁটা বেশি উপকারী?
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ব্যস্ত জীবনযাত্রার ভিড়ে শরীর ও মনকে সুস্থ রাখতে হাঁটার গুরুত্ব অপরিসীম। তবে অনেকেই দ্বিধায় পড়েন – কখন হাঁটলে উপকারটা সবচেয়ে বেশি? সকাল, নাকি বিকাল? চলুন দেখি, এই দুই সময়ের হাঁটার সুবিধা ও ভিন্নতা কী।

    সকালের হাঁটা: দিন শুরুর প্রাণশক্তি
    সকালে হাঁটা শুধু শরীর নয়, মনের জন্যও চমৎকার। ঘুম থেকে উঠে সতেজ বাতাসে ২০–৩০ মিনিট হাঁটা শরীরের বিপাক ক্রিয়া (metabolism) বাড়ায়, মন ফুরফুরে করে তোলে। সকালের হাঁটার কিছু বিশেষ উপকারিতা হলো:

    বিশুদ্ধ অক্সিজেন: ভোরের বাতাস অপেক্ষাকৃত নির্মল, ধূলাবালি ও দূষণ কম থাকে।

    মানসিক প্রশান্তি: সূর্যোদয় দেখা, পাখির ডাক, আর নিস্তব্ধ পরিবেশ মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।

    অভ্যাস গড়ার সহজতা: সকালে সময় নির্ধারণ করা তুলনামূলক সহজ, অন্য কাজ কম থাকে।

    বিকালের হাঁটা: কর্মব্যস্ত দিনের শেষে রিফ্রেশমেন্ট
    যারা সকালে সময় পান না, তাঁদের জন্য বিকাল বা সন্ধ্যার হাঁটাও দারুণ উপকারী। দিনশেষে কিছু সময় হাঁটলে যেমন শরীরের ক্লান্তি দূর হয়, তেমনি মানসিকভাবে চাঙ্গা বোধ হয়। বিকালের হাঁটার সুবিধাগুলো হলো:

    পেশী ও জয়েন্ট আরও উষ্ণ থাকে: ফলে হাঁটার সময় ইনজুরির আশঙ্কা কম।

    স্ট্রেস রিলিফ: সারা দিনের টেনশন হালকা করতে বিকালের হালকা হাঁটা দারুণ কাজ করে।

    পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে হাঁটার সুযোগ: এটি সামাজিক যোগাযোগেও সাহায্য করে।

    কোনটি বেছে নেবেন?
    যদি আপনার লক্ষ্য হয় ওজন কমানো বা স্বাস্থ্যকর রুটিন গড়ে তোলা – তবে সকালবেলা হাঁটা শুরু করতে পারেন। আর যদি সময় ম্যানেজ করা কঠিন হয়, বিকালের হাঁটা একেবারেই কম কার্যকর নয়।

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো – নিয়মিত হাঁটা। সময় যেটাই হোক না কেন, প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট brisk walking (দ্রুত হাঁটা) আপনার হৃদযন্ত্র, ফুসফুস, ও মানসিক স্বাস্থ্যকে আরও উন্নত করতে সাহায্য করবে।

    শেষ কথা- সময় নয়, অভ্যাসটাই আসল। আপনি যেটা দীর্ঘদিন ধরে ধরে রাখতে পারবেন, সেটাই আপনার জন্য সেরা সময়।


    দৈএনকে/স
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ