সৌদি, তুরস্ক ও গাম্বিয়ার মন্ত্রীদের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক

সৌদি আরবের জেদ্দায় ওআইসির ফিলিস্তিন বিষয়ক কার্যনির্বাহী সভার ফাঁকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সৌদি আরবের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ এ. আলখারেইজি, তুরস্কের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুসা কুলাকলিকায়া এবং গাম্বিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেরিং মোদু এনজির সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন।
বৈঠকগুলোতে অংশগ্রহণকারী নেতারা নতুন সরকার গঠনের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান এবং দুইপক্ষের মধ্যে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের ফিলিস্তিনের প্রতি অটল সমর্থন ও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতিত্বে বাংলাদেশের প্রার্থিতার প্রতি সমর্থন তুলে ধরা হয়।
সৌদি আরবের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে সুবিধাজনক সময়ে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ জানান এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকেও রিয়াদ সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান। বৈঠকে উভয় দেশ সৌদি ভিশন ২০৩০ কর্মসূচির মাধ্যমে বিনিয়োগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সম্মত হন।
তুরস্কের পক্ষ থেকে দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করে ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত সহযোগিতার আশা প্রকাশ করা হয়। বাংলাদেশি পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য তুরস্কের সহায়তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং সংকট সমাধানে যৌথ উদ্যোগে কাজ করার বিষয়ে একমত হন। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানকে রমজানের পর বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণপত্রও হস্তান্তর করা হয়।
গাম্বিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে গাম্বিয়ার সক্রিয় ভূমিকার জন্য ধন্যবাদ জানানো হয়। বিশেষ করে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে গণহত্যার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলার বিষয়ে বাংলাদেশ ও গাম্বিয়া যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে সম্মত হয়। এপ্রিলে বাগদাদে অনুষ্ঠিত ওআইসির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজনেও দুই পক্ষ সম্মত হয়েছেন।
বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।