মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • উজবেকিস্তানকে উড়িয়ে কাভা ভলিবল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশ সরকারি চাকরিতে নারীদের কোটা পুনর্বহালের দাবি মহিলা পরিষদের হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি বেড়ে ৮২৮ জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে শপিং মল ধস, আহত অর্ধশত; প্রত্যাহার সুনামি সতর্কতা পুলিশ কর্মকর্তার পরিচয়ে অর্থ দাবি, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান গ্যাস সংকট মোকাবিলায় মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী বিএসইসিতে চার বছরের জন্য নতুন কমিশনার হোসেন সাদাত সৌরবিদ্যুতের প্রসারের আড়ালে বাড়ছে ই-বর্জ্যের ঝুঁকি, সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা টুথপেস্টে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক, তবু এখনই আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রস্তুত ইসি: সিইসি
  • কলা ও ওটস: শিশুর শরীর শান্ত রাখতে জাদুকরী ভূমিকা

    কলা ও ওটস: শিশুর শরীর শান্ত রাখতে জাদুকরী ভূমিকা
    এ আই
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    শিশুর নিরবচ্ছিন্ন ঘুম কেবল তার মেজাজ ফুরফুরে রাখে না, বরং তার শারীরিক বৃদ্ধি ও মস্তিষ্কের বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পুষ্টিবিদদের মতে, সঠিক খাবার শিশুর শরীরকে শান্ত রাখতে এবং দ্রুত ঘুমে সাহায্য করতে পারে। তবে শিশুর বয়স অনুযায়ী খাবারের পরিমাণ ঠিক রাখা জরুরি।

    যেসব খাবার শিশুকে দ্রুত ঘুমাতে সাহায্য করে

    শিশুর রাতের খাদ্যতালিকায় নিচের খাবারগুলো রাখা যেতে পারে:

    • কুসুম গরম দুধ: ঘুমের আগে অল্প গরম দুধ শিশুকে আরাম দেয়। এতে থাকা ‘ট্রিপটোফ্যান’ নামক উপাদান গভীর ঘুমে সহায়ক।

    • কলা: কলায় থাকা ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম শরীরের পেশিকে শিথিল বা রিল্যাক্স করতে সাহায্য করে।

    • সহজপাচ্য শর্করা: ওটস, সুজি বা হালকা খিচুড়ি রাতে সহজে হজম হয় এবং শিশুর পেট ভরা রাখে, ফলে ঘুমের মাঝে ক্ষুধার কারণে শিশু জেগে ওঠে না।

    • ভাত ও ডাল: রাতে অল্প গরম ভাত ও ডাল শিশুর পেট আরামদায়ক রাখে।

    • মিষ্টি আলু: এতে থাকা কার্বোহাইড্রেট শরীরকে শান্ত রাখতে সাহায্য করতে পারে।

    • বাদাম ও দই: বাদাম পেস্ট (বয়স উপযোগী হলে) ম্যাগনেসিয়ামের যোগান দেয় এবং টকহীন দই হজমে সহায়তা করে। তবে ঠান্ডা লাগার প্রবণতা থাকলে রাতে দই এড়িয়ে চলাই ভালো।

    রাতে যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন

    কিছু খাবার শিশুর স্নায়ুকে উত্তেজিত করে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়:

    • চকলেট ও অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার।

    • কোমল পানীয়।

    • খুব ঝাল বা ভাজাপোড়া তেলযুক্ত খাবার।

    ভালো ঘুমের জন্য জরুরি রুটিন

    কেবল খাবার নয়, একটি স্বাস্থ্যকর রুটিনও শিশুর ঘুমের জন্য সহায়ক:

    ১. সময় নির্ধারণ: রাতের খাবার অন্তত ঘুমের এক ঘণ্টা আগে দিন।

    ২. স্ক্রিন টাইম বর্জন: ঘুমের আগে মোবাইল বা টিভির নীল আলো থেকে শিশুকে দূরে রাখুন।

    ৩. অভ্যাস গঠন: প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস করলে শিশুর শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি (Biological Clock) সঠিকভাবে কাজ করে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ