সকালের নাশতায় তৈরি করুন তুলতুলে ‘বান দোসা’

প্রাতঃরাশে বৈচিত্র্য আনতে দক্ষিণ ভারতীয় খাবারের জুড়ি নেই। সাধারণত আমরা মচমচে পাতলা দোসা খেয়ে অভ্যস্ত হলেও, দক্ষিণ ভারতের কর্নাটক ও কেরালা অঞ্চলে ‘বান দোসা’ অত্যন্ত জনপ্রিয়। সাধারণ দোসার চেয়ে এটি অনেক বেশি নরম, ফোলা এবং স্পঞ্জি হয়ে থাকে। ঘরে থাকা সাধারণ কিছু উপকরণের মাধ্যমেই আপনি আপনার খাবার টেবিলে নিয়ে আসতে পারেন এই আভিজাত্য।
উপকরণ:
- আতপ চাল: ২ কাপ
- রান্না করা ভাত: ১ কাপ
- কোড়ানো নারকেল: ১/২ কাপ
- টক দই: ১/৪ কাপ
- চিনি: ১ টেবিল চামচ
- ইনো বা বেকিং সোডা: ১/২ চা চামচ
- লবণ: স্বাদমতো
- তেল: ভাজার জন্য
প্রস্তুত প্রণালী
১. প্রাথমিক ধাপ: প্রথমে আতপ চাল ভালো করে ধুয়ে ৪-৫ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। এরপর ভেজানো চালের সাথে রান্না করা ভাত এবং কোড়ানো নারকেল মিশিয়ে সামান্য জল দিয়ে মিক্সারে একটি মসৃণ ব্যাটার তৈরি করুন।
২. গেঁজানো বা ফারমেন্টেশন: মিশ্রণটি একটি বড় পাত্রে ঢেলে তাতে টক দই, চিনি ও লবণ মেশান। ব্যাটারটি ঢেকে দিয়ে ৮-১০ ঘণ্টা বা সারা রাত গেঁজানোর জন্য রেখে দিন।
৩. রান্নার চূড়ান্ত প্রস্তুতি: দোসা তৈরির ঠিক আগে মিশ্রণে ইনো বা বেকিং সোডা দিয়ে আলতো করে মিশিয়ে নিন।
৪. ভাজার কৌশল: নন-স্টিক গভীর প্যানে সামান্য তেল ব্রাশ করে গরম করুন। প্যানের মাঝখানে এক হাতা ব্যাটার ঢেলে দিন। সাধারণ দোসার মতো এটি ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই; এটি নিজেই গোল ও মোটা আকার ধারণ করবে।
৫. সেদ্ধ ও পরিবেশন: মাঝারি আঁচে ঢাকা দিয়ে ২-৩ মিনিট রান্না করুন। উপরের দিকে ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দিলে এবং নিচটা সোনালি হয়ে এলে নামিয়ে নিন। এই দোসা উল্টানোর প্রয়োজন হয় না, ভাপেই ওপরের দিক সেদ্ধ হয়ে যায়।
পরিবেশন টিপস
গরম গরম বান দোসা নারকেলের চাটনি, চানা মাসালা কিংবা যেকোনো ঝাল তরকারির সাথে দারুণ মানিয়ে যায়। এর নরম ও তুলতুলে গঠন ছোট থেকে বড় সবার কাছেই সমান সমাদৃত হবে।