জামুকার তদন্তে অমুক্তিযোদ্ধা প্রমাণিত হলে গেজেট বাতিলের হুঁশিয়ারি

বর্তমানে দেশে গেজেটধারী ও এমআইএস (ব্যবস্থাপনা তথ্য পদ্ধতি) তালিকায় সংরক্ষিত বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ১ লাখ ৯৮ হাজার ৩৭ জন।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সংসদ সদস্য এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের এক প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান এই তথ্য জানান।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে মন্ত্রী আরও জানান, মুক্তিযোদ্ধাদের এমআইএস ডাটাবেজ নিয়মিত হালনাগাদ করা হচ্ছে। তবে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানি ভাতা বৃদ্ধির বিষয়টি এই মুহূর্তে সরকারের বিবেচনায় নেই।
পৃথক এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, কোনো গেজেটধারী মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে ‘অমুক্তিযোদ্ধা’ হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেলে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) উপকমিটি তা গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই-বাছাই করে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তালিকা থেকে নাম বাতিলের সুপারিশ করা হয়।
আহমেদ আযম খান বলেন, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে চলতি সময় পর্যন্ত মোট ৮৪২টি অভিযোগ জামুকায় পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে ৪৮১ জনের গেজেট, লাল মুক্তিবার্তা বা ভারতীয় তালিকা বাতিল করা হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, জামুকা প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত ১০৩টি সভার মাধ্যমে সর্বমোট ৬ হাজার ৪৬৫ জনের গেজেট বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে।