বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • পুলিশি বাধায় আটকে এনসিপি, ‘মামলা না করে ফিরব না’ বললেন নাহিদ শাপলা চত্বরের মামলায় লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন একপেশে ও পক্ষপাতদুষ্ট: চিফ প্রসিকিউটর শিল্পে গ্যাস সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ভারত: হাইকমিশনার ক্যান্টিনের খাবার, পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মান যাচাই করলেন পর্যটনমন্ত্রী পেপ্যাল সেবা চালুর পথ খুলল বাংলাদেশ ব্যাংক ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা বাড়াতে ঢাকার আহ্বান লিটনের নেতৃত্ব, বিপিএল ও কোচিং স্টাফ—বিসিবি সভায় যেসব ইস্যু পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে দীনেশ ত্রিবেদী
  • চরফ্যাশনে ছোট ভাইকে জিম্মি করে স্ট্যাম্পে সই: বড় ভাইদের বিরুদ্ধে মামলা

    চরফ্যাশনে ছোট ভাইকে জিম্মি করে স্ট্যাম্পে সই: বড় ভাইদের বিরুদ্ধে মামলা
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ওমরপুর ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডে আপন পিতার মৃত্যুর পর লাশ দাফনে বাঁধা ও ছোট ভাইকে জিম্মি করে অলিখিত ষ্ট্যাম্পে সাক্ষর নেয়ার অভিযোগে বড় ভাইদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছে ছোট ভাই।

    এই ঘটনায় ওই এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় হয়েছে। 

    চরফ্যাশনে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রট আদালতে  ভুক্তভোগী ছোট ভাই নুরুল ইসলামের দাখিল  করা এমপি -৩৯/২৬ (১৬/০৪/২৬) মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ওমরপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা  মো: নুরুল ইসলামের পিতা মো: তোফাজ্জল  হোসেন গত ১১এপ্রিল /২৬ ইন্তেকাল করেন। তার ৩ ছেলে, ৫ মেয়ে ও ১ স্ত্রী জীবিত রয়েছেন।

    বাবার মৃত্যুর পর ২ ছেলে মো: ইসমাইল নসু ও আবু তাহের বাচ্চু স্হানীয় কতিপয় ক্যাডার নিয়ে তার লাশ দাফনো বাঁধা প্রদান করেন। একই সাথে আপন ছোট ভাই  নুরুল ইসলামকে জিম্মি করে জোরপূর্বক ৩টি অলিখিত ষ্ট্যাম্পে সাক্ষর নেন।

    এব্যাপারে অভিযোগকারী নুরুল ইসলাম বলেন,আমরা ৩ ভাই, ৫ বোন ও মা জীবিত রয়েছে। গত ১১ এপ্রিল /২৬ বিকেল ৩টায় আমার বাবা মারা গেছে। জীবিত থাকাকালীন ১৫ বছর আগে  তিনি ৪০ শতাংশ জমি আমাকে দলিল দিয়েছেন। অপর ২ ভাই ও ৫ বোনকে  জমি বিক্রি করে  সমপরিমাণ টাকা দিয়েছেন। পরবর্তীতে আমার ৭/৮ বছর আগে নগদ টাকার প্রয়োজনে ২০ শতাংশ জমি আমার কাছে বিক্রি করেন বাবা।

    অথচ বাবার মৃত্যুর পর ২ ভাই ও স্হানীয় কতিপয় ক্যাডার মিলে বাবার লাশ দাফনে বাঁধা প্রদানের পাশাপাশি আমাকে জিম্মি করে অলিখিত ৩টি ষ্ট্যাম্পে সাক্ষর নিয়েছে জোরপূর্বক।  জোরপূর্বক সাক্ষর নেওয়া ষ্ট্যাম্পগুলো ব্যবহার করে আমাকে হয়রানির চেষ্টা করছে।

    তিনি আরও বলেন, আমি বাধ্য হয়ে ষ্ট্যাম্পে উদ্ধারে আদালতে মামলা করেছি। চরফ্যাশন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রট আদালত চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জকে অলিখিত ৩টি ষ্ট্যাম্প উদ্ধারের নির্দেশ দিয়েছে।

    অভিযুক্ত বড় ভাই  ইসমাইল হোসেন নসু বলেন,আমাদের বিরুদ্ধে ছোট ভাইয়ের আনা অভিযোগ ঠিক নয়। আমরা কোন অলিখিত  ষ্ট্যাম্পে সাক্ষর নেইনি।

    চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) খলিলুর রহমান বলেন,  আদালতের নির্দেশের কাগজ পাইনি। পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন