শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার: আনোয়ার ইব্রাহিম স্পারসো ও জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে নতুন দায়িত্ব পেলেন দুই কর্মকর্তা মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের নতুন ট্রাস্টি বোর্ড, চেয়ারম্যান তারেক রহমান রপ্তানি নীতিতে পরিবর্তন, ফ্রিল্যান্সার ও ই-কমার্স খাতে বাড়ছে সুযোগ ওয়ানডের নতুন অধিনায়ক লিটন দাস সিলেটে এনসিপির কর্মসূচির পথে হামলার অভিযোগ, ক্ষতিগ্রস্ত সারজিসের গাড়ি মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি, ভুয়া নিয়োগে কঠিন ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী ‘দেখি কত সন্ত্রাসী আছে এই সরকারের’, গোলাপগঞ্জে যাওয়ার ঘোষণা নাহিদ ইসলামের হামের উপসর্গে আরও চার শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যাও ঢাকায় পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গোর
  • আশা ভোসলে: নিজের সেরা ১০ প্রিয় গান নিয়ে এক অনন্য তালিকা

    আশা ভোসলে: নিজের সেরা ১০ প্রিয় গান নিয়ে এক অনন্য তালিকা
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আশা ভোসলে ভারতীয় সংগীতজগতের এক কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী। আট দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি ১২ হাজারেরও বেশি গান গেয়েছেন—যার মধ্যে ড্যান্স ট্র্যাক, রোমান্টিক গান, পপ ও ক্লাসিক্যাল সব ধরনের গানই রয়েছে। এত বিশাল ভান্ডার থেকে সেরা গান বেছে নেওয়া প্রায় অসম্ভব। তবে এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজেই তাঁর সবচেয়ে প্রিয় ১০টি গানের কথা জানিয়েছিলেন।

    ১. ‘ইন আঁখোঁ কি মস্তি কে’ ও ‘ইয়ে ক্যায়া জায়গা হ্যায় দোস্তো’

    তালিকার শীর্ষে রয়েছে ‘উমরাও জান’ সিনেমার এই দুটি গান। খৈয়ামের সুরে আশার নিচু স্বরের আবেগঘন কণ্ঠ গান দুটিকে দিয়েছে রহস্যময় ও গভীর আবহ। চরিত্রের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পরিচালক মুজাফফর আলী তাঁকে উপন্যাস পড়তে দিয়েছিলেন, যা তাঁর গায়কি আরও সমৃদ্ধ করে।

    ২. ‘জুঠে ন্যায়না’

    ‘লেকিন’ (১৯৯১) সিনেমার এই গানটি তাঁর কাছে ছিল বিশেষ চ্যালেঞ্জিং। হৃদয়নাথ মঙ্গেশকরের সুরে ক্লাসিক্যাল ঘরানার জটিলতা এবং দীর্ঘ রেকর্ডিং সেশন গানটিকে স্মরণীয় অভিজ্ঞতায় পরিণত করে। সিনেমায় এটি ছিল তাঁর একমাত্র গান, বাকি গানগুলো গেয়েছিলেন লতা মঙ্গেশকর।

    ৩. ‘কালি ঘটা ছায়ে’

    ১৯৫৯ সালের ‘সুজাতা’ সিনেমার এই গানটি এস. ডি. বর্মনের সুরে তৈরি। আশার মতে এটি ছিল “সহজ কিন্তু অসাধারণ” একটি সৃষ্টি। নূতনের অভিনয় গানটির আবেগকে আরও গভীর করে তোলে।

    ৪. ‘আয়ে মেহেরবান’

    ‘হাওড়া ব্রিজ’ (1958) সিনেমার এই গানটি ও. পি. নায়ারের সুরে তৈরি। মধুবালার পর্দার উপস্থিতি গানটিকে নতুন মাত্রা দেয়, যা আশার ভাষায় অর্ধেক সাফল্য এনে দিয়েছিল।

    ৫. ‘শোকে নজর কি বিলিয়া’

    ‘ও কৌন থি’ সিনেমার এই গানটি মদন মোহনের সুরে তৈরি একটি ব্যতিক্রমী কাজ। স্কেটিং রিঙ্কে চিত্রায়ণ গানটিকে আলাদা পরিচিতি দেয়।

    ৬. ‘রোজ রোজ আঁখো তলে’

    ‘জীবা’ সিনেমার এই গানটি আর. ডি. বর্মনের সুরে গাওয়া। আশার মতে এটি ছিল এমন একটি গান, যা সময়মতো যথাযথ মূল্যায়ন পায়নি, যদিও এটি একটি অসাধারণ সৃষ্টি।

    ৭. ‘চেইন সে হামকো কভি’

    ‘প্রাণ যায়ে পর বচন না যায়ে’ সিনেমার এই গানটি তিনি দুঃখের মুহূর্তে এক ধরনের সান্ত্বনা হিসেবে দেখতেন। ব্যক্তিগত আবেগও তাঁর কণ্ঠে স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে।

    ৮. ‘সাজনা হ্যায় মুঝে’

    ‘সওদাগর’ সিনেমার এই গানটি রবীন্দ্র জৈনের সুরে তৈরি। সুর ও চিত্রায়ণের আবেগময়তা গানটিকে তাঁর কাছে বিশেষ করে তোলে।

    ৯. ‘কাতরা কাতরা’, ‘ছোটি কাহানি সে’ ও ‘মেরা কিছু সামান’

    গুলজারের ‘ইজাজত’ সিনেমার সব গানই তাঁর গাওয়া, যার মধ্যে এই তিনটি তাঁর সবচেয়ে প্রিয়। আর. ডি. বর্মনের সুরে তৈরি গানগুলোতে ছিল নতুন ধরনের “ডাবল ভয়েস” পরীক্ষাও, যা সেই সময়ে ছিল অত্যন্ত অভিনব।

    ১০. ‘রাজ কি বাত হ্যায়’

    রোশন-এর সুরে ‘দিল হি তো হ্যায়’ (1963) সিনেমার এই কাওয়ালি গানটি তাঁর অন্যতম প্রিয়। এমনকি লতা মঙ্গেশকরও গানটি খুব পছন্দ করতেন।

    উৎস: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস অবলম্বনে


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ