শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার: আনোয়ার ইব্রাহিম স্পারসো ও জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে নতুন দায়িত্ব পেলেন দুই কর্মকর্তা মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের নতুন ট্রাস্টি বোর্ড, চেয়ারম্যান তারেক রহমান রপ্তানি নীতিতে পরিবর্তন, ফ্রিল্যান্সার ও ই-কমার্স খাতে বাড়ছে সুযোগ ওয়ানডের নতুন অধিনায়ক লিটন দাস সিলেটে এনসিপির কর্মসূচির পথে হামলার অভিযোগ, ক্ষতিগ্রস্ত সারজিসের গাড়ি মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি, ভুয়া নিয়োগে কঠিন ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী ‘দেখি কত সন্ত্রাসী আছে এই সরকারের’, গোলাপগঞ্জে যাওয়ার ঘোষণা নাহিদ ইসলামের হামের উপসর্গে আরও চার শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যাও ঢাকায় পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গোর
  • জনপ্রিয় সিনেমা ‘জাব উই মেট’ ফিরবে কি?

    জনপ্রিয় সিনেমা ‘জাব উই মেট’ ফিরবে কি?
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ‘জাব উই মেট’ বলিউড নির্মাতা ইমতিয়াজ আলির জনপ্রিয় ও কালজয়ী সিনেমা। এই সিনেমার ‘গীত’ ও ‘আদিত্য’ চরিত্র দুটি আজও দর্শকদের মনে গেঁথে রয়েছে। চরিত্র দুটি রূপায়ণ করেছিলেন কারিনা কাপুর ও শাহিদ কাপুর।

    দীর্ঘদিন ধরেই ভক্তদের মনে প্রশ্ন ছিল, ছবিটির সিক্যুয়েল বা দ্বিতীয় কিস্তি কি কখনো আসবে? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়েছেন পরিচালক নিজেই। 

    ইমতিয়াজ স্পষ্ট জানিয়েছেন, ‘জাব উই মেট’ বা ‘তামাশা’র মতো সিনেমার সিক্যুয়েল তৈরির কোনো পরিকল্পনা বর্তমানে তার নেই। এক সংবাদমাধ্যমের অনুষ্ঠানে চলচ্চিত্র নির্মাতা ইমতিয়াজ আলি জানান, সামাজিকমাধ্যম বা বিভিন্ন মহলে তিনি প্রায়ই ‘জব উই মেট টু’ নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হন। 

    এ প্রসঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমি এর আগেও ‘লাভ আজ কাল টু’ নির্মাণ করেছিলাম, কিন্তু সেটি দর্শক সেভাবে গ্রহণ করেননি। তাই সিক্যুয়েল মানেই যে তা সফল হবে বা দর্শক ভালোবাসা দেবে, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।’

    ইমতিয়াজ আরও যোগ করেন, একজন নির্মাতা হিসেবে কোনো গল্প যদি তাকে প্রবলভাবে আকর্ষণ না করে, তবে তিনি তা নিয়ে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। তার মতে, ‘জাব উই মেট’-এর মতো কিছু কাজ যেভাবে আছে, সেভাবেই থাকা ভালো; এগুলো নতুন করে স্পর্শ না করাই শ্রেয়।

    উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে মুক্তি পায় ‘জাব উই মেট’ এবং ২০১৫ সালে মুক্তি পায় ‘তামাশা’। এই দুটি সিনেমাই ইমতিয়াজ আলির ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা কাজ হিসেবে বিবেচিত। বর্তমানে তিনি কোনো গাণিতিক হিসাব বা পেশাদার পদক্ষেপের চেয়ে গল্পের গুণগত মানের ওপরই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ