শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার: আনোয়ার ইব্রাহিম স্পারসো ও জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে নতুন দায়িত্ব পেলেন দুই কর্মকর্তা মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের নতুন ট্রাস্টি বোর্ড, চেয়ারম্যান তারেক রহমান রপ্তানি নীতিতে পরিবর্তন, ফ্রিল্যান্সার ও ই-কমার্স খাতে বাড়ছে সুযোগ ওয়ানডের নতুন অধিনায়ক লিটন দাস সিলেটে এনসিপির কর্মসূচির পথে হামলার অভিযোগ, ক্ষতিগ্রস্ত সারজিসের গাড়ি মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি, ভুয়া নিয়োগে কঠিন ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী ‘দেখি কত সন্ত্রাসী আছে এই সরকারের’, গোলাপগঞ্জে যাওয়ার ঘোষণা নাহিদ ইসলামের হামের উপসর্গে আরও চার শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যাও ঢাকায় পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গোর
  • কেন দিতি নায়ক রাজ রাজ্জাককে ‘বাবা’ ডাকতেন?

    কেন দিতি নায়ক রাজ রাজ্জাককে ‘বাবা’ ডাকতেন?
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    পারভীন সুলতানা দিতি ঢাকাই চলচ্চিত্রের এক সময়ে জনপ্রিয় অভিনেত্রী, যিনি গ্ল্যামার ও অভিনয় দক্ষতার কারণে দর্শকের প্রিয় মুখ হয়ে উঠেছিলেন। আজ (৩১ মার্চ) তার জন্মদিন, বিশেষ এই দিনে তাকে স্মরণ করছেন সহশিল্পী ও ভক্তরা।

    প্রায় চার দশক আগে এফডিসির ‘নতুন মুখের সন্ধানে’ কার্যক্রমের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে পা রাখেন দিতি। অল্প সময়ের মধ্যেই একের পর এক সিনেমায় অভিনয় করে নিজেকে নিয়ে যান সাফল্যের শিখরে। শুধু দর্শকদের কাছেই নয়, সহশিল্পীদের কাছেও তিনি ছিলেন ভীষণ প্রিয়।

    বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি নায়ক রাজ রাজ্জাক জীবদ্দশায় এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “দিতি আমাকে বাবা বলে ডাকত। দিতির স্বামী সোহেল চৌধুরী ও আমার ছেলে বাপ্পা একসঙ্গে পড়ালেখা করেছে। সেই হিসেবে দিতি আমাদের পরিবারেরই একজন ছিল। আমাদের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।”

    চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরীকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন দিতি। তাদের সংসারে জন্ম নেয় দুই সন্তান-লামিয়া ও দীপ্ত। স্বামীর মৃত্যুর পর পরবর্তীতে চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনকে বিয়ে করলেও সেই সংসার বেশিদিন টেকেনি। তবে পর্দায় এই জুটির রসায়ন ছিল দর্শকপ্রিয়।

    ইলিয়াস কাঞ্চন এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “আমাদের প্রথম ছবি ছিল ‘ভাই-বন্ধু’। সব মিলিয়ে আমরা প্রায় ৩০টির মতো সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছি। দিতি খুব ভালো অভিনেত্রী ছিল। জনপ্রিয়তার পাশাপাশি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছে।”

    ১৯৬৫ সালের ৩১ মার্চ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে জন্মগ্রহণ করেন দিতি। ১৯৮৪ সালে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু করলেও তার প্রথম অভিনীত ছবি ‘ডাক দিয়ে যাই’ মুক্তি পায়নি। পরে ‘আমিই ওস্তাদ’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে তার।

    দীর্ঘ ৩১ বছরের ক্যারিয়ারে দিতি শুধু সিনেমাতেই সীমাবদ্ধ থাকেননি। নাটকে অভিনয়, পরিচালনা, রান্নাবিষয়ক অনুষ্ঠান উপস্থাপনা, এমনকি গান গাওয়াতেও নিজেকে যুক্ত করেছিলেন। তার একক গানের অ্যালবামও প্রকাশিত হয়। বিজ্ঞাপনচিত্রেও কাজ করেছেন তিনি।

    দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর ২০১৬ সালের ২০ মার্চ শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এই অভিনেত্রী। তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের দত্তরপাড়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশেই তাকে সমাহিত করা হয়।

    গ্ল্যামার, অভিনয় আর ব্যক্তিত্ব-সব মিলিয়ে দিতি ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের এক উজ্জ্বল নাম, যিনি আজও দর্শকের স্মৃতিতে অমলিন।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ