সোনার দাম ওঠা নামায় ব্যবসায়ীদের অস্বস্তি

দেশের বাজারে সোনার দাম আরো কমেছে। এতে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) সোনার দাম কমানো হয়েছে ৮ হাজার ৫শত ১৫ টাকা। ফলে ভরিপ্রতি সোনার দাম নেমে এসেছে ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪টাকায়, যা আজ সোমবার দুপুর ১২টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম কমানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)-এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সারা দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বরিশালেও সোনার বাজারে দাম কমেছে। হঠাৎ করে দাম কমে যাওয়ায় একদিকে ক্রেতারা স্বস্তি পেলেও, অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা পড়েছেন দিধাদ্বন্দ্বে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, আগে দেওয়া অর্ডার ও মজুত করা সোনার কারণে আকস্মিক দরপতনে তাদের বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হচ্ছে। ঘন ঘন দাম ওঠানামার ফলে লাভ-ক্ষতির হিসাব মেলানো কঠিন হয়ে উঠেছে।
বরিশাল নগরীর কাঠপট্টি এলাকার সোনার ব্যবসায়ী মোঃ শাহ আলম খান বলেন,মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে সোনার দামে বড় ধরনের পতন হয়েছে। এতে বিক্রি কিছুটা বেড়েছে ঠিকই, কিন্তু বারবার দাম ওঠানামা করায় ব্যবসা চালানো খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে।
তিনি আরও বলেন, সোনার দাম যদি একটি নির্দিষ্ট নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখা যায়, তাহলে ক্রেতা ও ব্যবসায়ী দু-পক্ষই উপকৃত হবে। বাজারে স্থিতিশীলতা থাকলে আস্থাও বাড়বে।
এদিকে ক্রেতারা বলছেন, দাম কমায় তারা স্বর্ণ কেনার সুযোগ পাচ্ছেন, তবে অনিশ্চিত বাজার পরিস্থিতির কারণে অনেকেই এখনও অপেক্ষার মনোভাব পোষণ করছেন।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৫১,১৮৪ টাকা এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫০০০ হাজার ৫২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকা।
সোনার দামের সঙ্গে কমেছে রুপার দামও। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৭ হাজার ২৯০ টাকা।
এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৬ হাজার ৯৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৪৩২ টাকা।
এদিকে গত সপ্তাহে বিশ্ববাজারে সোনার দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকায় দেশের বাজারেও রেকর্ড পরিমাণ বাড়ে।