শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার: আনোয়ার ইব্রাহিম স্পারসো ও জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে নতুন দায়িত্ব পেলেন দুই কর্মকর্তা মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের নতুন ট্রাস্টি বোর্ড, চেয়ারম্যান তারেক রহমান রপ্তানি নীতিতে পরিবর্তন, ফ্রিল্যান্সার ও ই-কমার্স খাতে বাড়ছে সুযোগ ওয়ানডের নতুন অধিনায়ক লিটন দাস সিলেটে এনসিপির কর্মসূচির পথে হামলার অভিযোগ, ক্ষতিগ্রস্ত সারজিসের গাড়ি মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি, ভুয়া নিয়োগে কঠিন ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী ‘দেখি কত সন্ত্রাসী আছে এই সরকারের’, গোলাপগঞ্জে যাওয়ার ঘোষণা নাহিদ ইসলামের হামের উপসর্গে আরও চার শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যাও ঢাকায় পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গোর
  • গ্রীনকার্ড পেলেন ঢালিউডের অমিত হাসান ও শাকিব খান

    গ্রীনকার্ড পেলেন ঢালিউডের অমিত হাসান ও শাকিব খান
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়ক অমিত হাসান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। বাংলাদেশে তেমন সময় না কাটালেও দীর্ঘদিন ধরেই তিনি আমেরিকায় আছেন। ২০২৩ সালে অমিত হাসানের পরিবার আমেরিকার গ্রীনকার্ড পেয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি নিশ্চিত করেছেন, তার সহকর্মী এবং চলচ্চিত্রের আরেক শীর্ষ অভিনেতা শাকিব খানও ২০২২ সালে গ্রীনকার্ডের অনুমোদন পান।

    ঢাকা থেকে নিউইয়র্ক—দুই শহরের মাঝেই এখন চলছে অমিত হাসানের জীবন-ব্যস্ততা। শুটিংয়ের প্রয়োজন হলেই আমেরিকা থেকে দেশে ফিরে আসেন তিনি। ভক্তদের মতে, ঢালিউডের এই জনপ্রিয় নায়কের জীবনে এটি এক নতুন অধ্যায়। কেননা আমেরিকার স্থায়ী বাসিন্দা হয়েও তিনি দেশে সিনেমার শুটিং থাকলেই চলে আসেন।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য প্রথমবার আমেরিকায় যান অমিত হাসান। এরপর ২০১৭ সালে স্ত্রী সন্তানসহ অবকাশের জন্য আবারও যান। পরবর্তীতে সন্তানদের পড়াশোনার জন্য পরিবারসহ বসবাসের পরিকল্পনা নেন তিনি। পরিকল্পনা অনুযায়ী গ্রিনকার্ডের জন্য আবেদন করেন অমিত হাসান ও তার পরিবারের সদস্যরা। প্রক্রিয়া শেষে ২০২৩ সালে স্পেশাল ক্যাটাগরি (ইবি-ওয়ান) ভিসার আওতায় সফলভাবে গ্রিনকার্ডের অনুমোদন পান তারা। একই সময়ে অমিত হাসান, তার স্ত্রী ও কন্যা সন্তান এই স্থায়ী বসবাসের অধিকার লাভ করেন বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

    অমিত হাসান জানান, ‘চলচ্চিত্র নায়কদের মধ্যে সর্বপ্রথম আমি ও শাকিব দুইজনেই আমেরিকায় বসবাসের জন্য গ্রিনকার্ডের অনুমোদন পাই। এরপর থেকেই বাংলাদেশ ও আমেরিকায় যাওয়া আসা আমার। আমার শুটিংয়ের সময় আমি দেশে আসি, আবার শুটিংয়ের কাজ না থাকলে আবার আমেরিকায় আসি। কারণ এখানে আমার স্ত্রী ও সন্তানরা আছেন।

    তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বর্তমানে দেশে সংবাদমাধ্যমের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। এর মধ্যে অনেকেই যাচাই–বাছাই না করেই সংবাদ প্রকাশ করছে। দায়িত্বশীলতার জায়গা থেকে সাংবাদিকতা করতে না পারলে সেটিকে সাংবাদিকতা বলা যায় না।’

    যারা গুজব ছড়াচ্ছেন তাদের উদ্দেশ্যে অমিত হাসান বলেন, ‘চলচ্চিত্রের নায়ক হওয়ার আগে আমি গাড়ি চালাই। আমার নিজের গাড়ি আছে। আমেরিকায় গাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করার জন্য আমেরিকায় গাড়ি চালানো শিখছি এটা ভুয়া তথ্য। এসব ভুয়া তথ্য দিয়ে আমার ভক্তদের বিভ্রান্ত করবেন না।’

    উল্লেখ্য, নব্বইয়ের দশকে ঢালিউডে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করা অমিত হাসান এখনো নিয়মিত চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন। দেশের বাইরেও অবস্থান করলেও দেশীয় সিনেমার সঙ্গে তার সংযোগ অব্যাহত রয়েছে।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন