প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলকে আচরণবিধি মানার নির্দেশ ইসির

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনি আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালনের আহ্বান জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) কমিশনের জনসংযোগ শাখা থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্বাচনকালীন সময়ে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ পরিবেশ বজায় রাখতে নির্বাচনি আচরণবিধি অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, তাঁদের সমর্থক ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে আইন ও বিধিমালার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার নির্দেশনা দিয়েছে কমিশন।
নির্বাচন কমিশন আরও জানায়, আচরণবিধি লঙ্ঘনের যেকোনো অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কমিশনের মতে, আচরণবিধি মানা হলে ভোটারদের নিরাপদ অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে এবং নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে।
ইসি আশা প্রকাশ করে বলেছে, সকলের সহযোগিতায় একটি শান্তিপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্বাচনি প্রচারণার আড়ালে কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক ভোটারদের ব্যক্তিগত তথ্য এবং জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংগ্রহের বিষয়টি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের নজরে এসেছে। জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন আইন ২০১০ অনুযায়ী, অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বহন কিংবা হস্তান্তর করা যাবে না।
এ ছাড়া ‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’-এর বিধি-৪ অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দল, প্রার্থী কিংবা তার পক্ষে অন্য কেউ নির্বাচনি এলাকায় বসবাসকারী ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানে কোনোপ্রকার চাঁদা, অনুদান বা উপহার প্রদান করতে বা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিতে পারবেন না।
এসব কার্যক্রম বিধি অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশন সকল নাগরিক ও সংগঠনকে উল্লিখিত কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ৩০০ সংসদীয় আসনে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে। স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে এই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।