মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • বাণিজ্যযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে কতটা চাপে ফেলতে পারে কানাডা? জনসম্পৃক্ততায় লংমার্চ সফল করার প্রত্যয় গোলাম পরওয়ারের সোনার বাজারে নতুন রেকর্ড, ভরি আড়াই লাখ ছুঁইছুঁই মাগুরার শিশু ধর্ষণ-হত্যা মামলায় রায় আজ শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় মঙ্গলবার ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ৯৯৪ রোগী ভর্তি, মৃত্যু আরও ৩ ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা ও মৃত্যু অর্ধেকে নামানোর লক্ষ্য: শেখ রবিউল আলম রাজধানীতে ট্রাফিক আইন ভাঙায় ২১৪৪ মামলা, ডাম্পিং ৫০৬ গাড়ি ভূমি রক্ষা ছাড়া জলবায়ু সহনশীলতা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত নয়: পরিবেশমন্ত্রী পদাতিক ইউনিটগুলোকে দেশসেবায় নিষ্ঠার সঙ্গে কাজের আহ্বান সেনাপ্রধানের
  • মাগুরার শিশু ধর্ষণ-হত্যা মামলায় রায় আজ

    মাগুরার শিশু ধর্ষণ-হত্যা মামলায় রায় আজ
    ছবি : সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    মাগুরায় আট বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর রায় ঘোষণা করবেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করবেন।

    সোমবার উভয়পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন ও শুনানি শেষে আদালত রায়ের জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন।

    আদালতে হিটু শেখের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক শুনানিতে অংশ নেন।

    ঘটনার বিবরণ

    মামলার নথি অনুযায়ী, গত বছরের ৫ মার্চ রাতে মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় আট বছরের শিশুটি। অভিযোগ, শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখ তাকে ধর্ষণের পর হত্যার চেষ্টা করেন।

    গুরুতর অবস্থায় শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    এ ঘটনায় নিহত শিশুটির মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে পুলিশ মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার করে।

    বিচারিক আদালতে হিটুর মৃত্যুদণ্ড

    শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ২০২৫ সালের ১৭ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

    তবে মামলার অপর তিন আসামিকে খালাস দেন আদালত। খালাস পাওয়া আসামিরা হলেন—নিহত শিশুটির বোনের স্বামী সজীব শেখ, সজীব শেখের ছোট ভাই রাতুল শেখ এবং সজীবের মা জাহেদা বেগম।

    হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স

    ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, কোনো মামলায় বিচারিক আদালত মৃত্যুদণ্ড দিলে তা কার্যকর করার আগে উচ্চ আদালতের অনুমোদন প্রয়োজন। এ জন্য মামলার নথিপত্র হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

    এই মামলার নথি গত বছরের ২১ মে হাইকোর্টে পৌঁছায়। পরবর্তী সময়ে নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষে মামলার পেপারবুক প্রস্তুতের জন্য বিজি প্রেসে পাঠানো হয়। পেপারবুক প্রস্তুত হওয়ার পর গত ৮ জুন তা হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

    এরপর মামলাটি শুনানির জন্য সংশ্লিষ্ট বিশেষায়িত হাইকোর্ট বেঞ্চের কার্যতালিকায় ওঠে। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে এখন রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে মামলাটি।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন