মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় মঙ্গলবার ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ৯৯৪ রোগী ভর্তি, মৃত্যু আরও ৩ ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা ও মৃত্যু অর্ধেকে নামানোর লক্ষ্য: শেখ রবিউল আলম রাজধানীতে ট্রাফিক আইন ভাঙায় ২১৪৪ মামলা, ডাম্পিং ৫০৬ গাড়ি ভূমি রক্ষা ছাড়া জলবায়ু সহনশীলতা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত নয়: পরিবেশমন্ত্রী পদাতিক ইউনিটগুলোকে দেশসেবায় নিষ্ঠার সঙ্গে কাজের আহ্বান সেনাপ্রধানের জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পথেই বিএনপি, আস্থা রাখার আহ্বান আইনমন্ত্রীর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আগামী ১২ সেপ্টেম্বর নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হবে শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট নিয়ে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী, উপবৃত্তি পুনরায় চালুর ভাবনা সুন্দরবনের জলবায়ু প্রকল্পে ব্রিটিশ অর্থছাঁটাই, দুই বছর আগেই বন্ধ হচ্ছে কার্যক্রম
  • ভূমি রক্ষা ছাড়া জলবায়ু সহনশীলতা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত নয়: পরিবেশমন্ত্রী

    ভূমি রক্ষা ছাড়া জলবায়ু সহনশীলতা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত নয়: পরিবেশমন্ত্রী
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ভূমি সুরক্ষা ও পুনরুদ্ধার ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বলেন, ভূমিকে শুধু পরিবেশের বিষয় হিসেবে না দেখে অর্থনীতি ও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

    সোমবার (২৪ আগস্ট) মঙ্গোলিয়ার উলানবাটরে জাতিসংঘের মরুকরণ প্রতিরোধবিষয়ক কনভেনশনের (ইউএনসিসিডি) কপ-১৭-এর ফাইন্যান্স ডে উপলক্ষে আয়োজিত ‘স্বাস্থ্যকর ভূমি ও খরা সহনশীলতায় উদ্ভাবনী অর্থায়ন ব্যবস্থা’ শীর্ষক মন্ত্রী পর্যায়ের সংলাপে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    মন্ত্রী বলেন, ভূমির অবক্ষয় কমাতে বাংলাদেশ বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। মাটির উর্বরতা রক্ষা, বনভূমি সংরক্ষণ, জলাবদ্ধতা, পাহাড়ি ভূমিক্ষয়, উপকূলীয় লবণাক্ততা ও নদীভাঙনের মতো বিষয়গুলো জাতীয় পরিকল্পনায় গুরুত্ব পাচ্ছে।

    তিনি বলেন, কৃষিকে প্রযুক্তিনির্ভর ও জলবায়ু-সহনশীল খাতে রূপান্তরের পাশাপাশি কৃষকদের ঋণ ও অন্যান্য সহায়তা বাড়ানো হচ্ছে। ক্ষুদ্র কৃষক ও ভূমি পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে অর্থায়ন সহজ করতে বহুপক্ষীয় উন্নয়ন ব্যাংক ও উন্নয়ন অর্থায়ন প্রতিষ্ঠানগুলোকে গ্যারান্টি, প্রাথমিক ক্ষতির মূলধন এবং মিশ্র অর্থায়নের মতো ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

    বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থায়নের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ২০০৯ সাল থেকে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের মাধ্যমে জলবায়ু ও ভূমি সহনশীলতা বাড়ানোর কাজ চলছে। এ পর্যন্ত এ তহবিলে ৪৯ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলারের বেশি অর্থ সংস্থান করা হয়েছে।

    এই অর্থে প্রতিকূল পরিবেশ সহনশীল ১২টি নতুন ফসলের জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের মধ্যে ১৯ হাজার ৪০০ মেট্রিক টনের বেশি খরা ও লবণাক্ততা সহনশীল বীজ বিতরণ করা হয়েছে।

    তবে বর্তমান চাহিদা তহবিলের বার্ষিক বরাদ্দের তুলনায় বেশি হয়ে গেছে বলে জানান মন্ত্রী।

    পরিবেশমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক অর্থায়নকে জাতীয় উদ্যোগের বিকল্প হিসেবে নয়, বরং দেশের বিদ্যমান অর্থায়ন ঘাটতি পূরণের সহায়ক হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

    ভূমি পুনরুদ্ধার ও জলবায়ু সুরক্ষায় ঋণের বিনিময়ে প্রকৃতি সংরক্ষণ এবং সবুজ বন্ড ইস্যুর মতো নতুন অর্থায়ন ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব দেন তিনি।

    আঞ্চলিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, উজানের পানিপ্রবাহে পরিবর্তন বাংলাদেশের মতো বদ্বীপ অঞ্চলে লবণাক্ততা ও খরার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই অভিন্ন নদী অববাহিকার দেশগুলোর মধ্যে আন্তঃসীমান্ত পানি ব্যবস্থাপনা আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

    তিনি পানি সংকট ও ভূমি অবক্ষয়সংক্রান্ত তথ্য বিনিময়ের জন্য আঞ্চলিক পর্যায়ে যৌথ উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

    মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু ও ভূমি সুরক্ষায় সহযোগিতা দিতে এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা গ্রহণ করতে প্রস্তুত। এমন প্রতিশ্রুতি প্রয়োজন, যা হবে সুনির্দিষ্ট, পর্যাপ্ত অর্থায়ননির্ভর এবং নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে বাস্তবায়নযোগ্য। এর মাধ্যমে ভূমি ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধারের অর্থায়নকে নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রীয় পর্যায়ে নিয়ে আসতে হবে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন