মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj

২০২৬ সালে হজে যাচ্ছেন ৭৬,৫৮০ বাংলাদেশি

২০২৬ সালে হজে যাচ্ছেন ৭৬,৫৮০ বাংলাদেশি
ছবি- সংগৃহীত
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

২০২৬ সালের হজযাত্রা উপলক্ষে বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৬,৫৮০ জন হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। তাদের মধ্যে ৭২,৩৪৪ জন হজযাত্রী বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৪,২৬০ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনের জন্য নিবন্ধন করেছেন।

এ বছর বাংলাদেশের জন্য মোট ৭৮,৫০০ হজযাত্রীর সুযোগ প্রদান করা হয়েছে। হজের প্রস্তুতি হিসেবে নিবন্ধিত হজযাত্রীরা বিভিন্ন স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করে হজে অংশগ্রহণ করবেন।

হজ ও ধর্ম বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, নিবন্ধন প্রক্রিয়ার পরপরই হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া, হজে যাবার জন্য সরকারি ও বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সব সহায়তা প্রদান করা হবে।মন্ত্রণালয় তাদের তালিকা সৌদি কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছে।’

হজ অফিসের তথ্যমতে, এ বছর বাংলাদেশ থেকে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭২ হাজার ৩৪৪ জন এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন হজ পালন করবেন।

সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের হজযাত্রীদের চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করার শেষ সময় ছিল ২০২৫ সালে ১৬ অক্টোবর। আর নিবন্ধন শুরু হয় একই বছর ২৭ জুলাই।

হজ এজেন্সি ও এয়ারলাইন্সগুলোকে হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সকল নির্দেশনা কঠোরভাবে মানতে নির্দেশ দিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় । ২০২৬ সালের হজযাত্রীদের ফ্লাইট আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হবে।

সৌদি সরকার সকল হজযাত্রীর জন্য মেডিক্যাল ফিটনেস বাধ্যতামূলক করেছে।

মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘হজযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো স্বাস্থ্য সচেতন থাকা এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকা।

সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা মোকাবেলায় হজযাত্রীদের প্রস্তুতি থাকতে হবে।’

হজযাত্রীরা ই-হজ সিস্টেম, লাব্বাইক মোবাইল অ্যাপ, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ইসলামী ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা অফিস এবং বায়তুল মুকাররম হজ অফিস ও আশকোনা হজ অফিসের মাধ্যমে নিবন্ধন করেছেন।

বাংলাদেশি হজযাত্রী বহনের জন্য মোট তিনটি এয়ারলাইন্স দায়িত্বে থাকবে। সেগুলো হলো— বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স।

নির্দেশনা অনুযায়ী, এজেন্সিগুলোকে প্রি-হজ ফ্লাইটের মধ্যবর্তী সময়ে ২০ শতাংশ হজযাত্রী পাঠাতে হবে এবং বাকিদের প্রথম ও শেষ পর্যায়ে পাঠাতে হবে।

মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, কোনো এজেন্সি প্রি-হজ ফ্লাইটের প্রথম বা শেষ পর্যায়ের হজ ফ্লাইটে ৩০ শতাংশের কম এবং ৫০ শতাংশের বেশি টিকিট ইস্যু করতে পারবে না।

সকলকে নির্দেশনার আলোকে টিকিট ইস্যু ও ফ্লাইট পরিচালনা নিশ্চিত করার অনুরোধ জানিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 
 


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

আরও পড়ুন