এক মাসে ১৬ হাজার কোটি আয়ে ‘অ্যাভাটার থ্রি’ ছুঁল নতুন উচ্চতা

জেমস ক্যামেরনের সাড়া জাগানো নতুন সিনেমা ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ বক্স অফিসে রেকর্ড ভাঙছে। মাত্র এক মাসের মধ্যেই সিনেমাটি আয়ের নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে। বিশ্বজুড়ে এর মোট আয় ১৩১ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি (১৬,০১২ কোটি টাকা)।
মুক্তির প্রথম সপ্তাহ থেকেই দর্শক ও সমালোচকদের নজর কাড়ছে ‘অ্যাভাটার থ্রি’। উত্তর আমেরিকার বক্স অফিসে পাঁচ সপ্তাহ ধরে শীর্ষস্থান ধরে রাখছে এটি। শেষ সপ্তাহান্তের তিন দিনে সিনেমাটি আয় করেছে ১.৩৩ কোটি ডলার, এবং পরবর্তী চার দিনের লম্বা ছুটিতে ১.৭২ কোটি ডলার। জানুয়ারিতে বড় কোনো প্রতিযোগীর অনুপস্থিতিতে একক আধিপত্য বজায় রেখেছে সিনেমাটি।
জেমস ক্যামেরনের নতুন অ্যাডভেঞ্চার উত্তর আমেরিকায় ৩৬.৩৫ কোটি ডলার আয় করেছে। আন্তর্জাতিক বাজার মিলিয়ে এটি ১৩১ কোটি ডলারের ক্লাবে প্রবেশ করেছে, যেখানে বিশেষভাবে চীন, ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকা বাজারে সিনেমাটি অভাবনীয় ব্যবসা করছে।
যদিও বক্স অফিসে দাপট দেখাচ্ছে, বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আগের ‘অ্যাভাটার’ (২০০৯) ও ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অফ ওয়াটার’ (২০২২) এর তুলনায় আয়ের গতি কিছুটা ধীর। ফ্র্যাঞ্চাইজির আগের কিস্তিগুলি যথাক্রমে ২৯০ কোটি ও ২২৩ কোটি ডলার আয় করে সিনেমার ইতিহাসে নিজস্ব স্থান নিশ্চিত করেছিল।
প্যান্ডোরা গ্রহের নতুন রহস্য ও নাভিদের জীবনযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত এই সিনেমা শুধুমাত্র দর্শকদের নয়, সমালোচকদেরও প্রশংসা কুড়িয়েছে। উন্নত ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস (VFX) ও সিনেমাটোগ্রাফি এর বিপুল ব্যবসার মূল কারণ। চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, দর্শকদের ইতিবাচক সাড়া ‘অ্যাভাটার থ্রি’-কে বক্স অফিস সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছে দিয়েছে।