শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার: আনোয়ার ইব্রাহিম স্পারসো ও জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে নতুন দায়িত্ব পেলেন দুই কর্মকর্তা মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের নতুন ট্রাস্টি বোর্ড, চেয়ারম্যান তারেক রহমান রপ্তানি নীতিতে পরিবর্তন, ফ্রিল্যান্সার ও ই-কমার্স খাতে বাড়ছে সুযোগ ওয়ানডের নতুন অধিনায়ক লিটন দাস সিলেটে এনসিপির কর্মসূচির পথে হামলার অভিযোগ, ক্ষতিগ্রস্ত সারজিসের গাড়ি মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি, ভুয়া নিয়োগে কঠিন ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী ‘দেখি কত সন্ত্রাসী আছে এই সরকারের’, গোলাপগঞ্জে যাওয়ার ঘোষণা নাহিদ ইসলামের হামের উপসর্গে আরও চার শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যাও ঢাকায় পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গোর
  • বিনোদন জগতে প্রবেশ করছেন ট্রাম্প?

    বিনোদন জগতে প্রবেশ করছেন ট্রাম্প?
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    এবার কি হলিউড এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জগতে নিজের প্রভাব বিস্তার করতে চাইছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ? বিনোদন অঙ্গনে এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। কিছুদিন আগে নেটফ্লিক্স ও ওয়ার্নার ব্রাদার্স ডিসকভারি মধ্যে একটি বড় চুক্তি হয়েছিল; আর সেখানেই এবার নজর পড়েছে ট্রাম্পের! তিনি উভয় প্রতিষ্ঠানের বিপুল পরিমাণ বন্ড বা ঋণপত্র ক্রয় করেছেন।

    বিনোদনভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম হলিউড রিপোর্টারের খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে একটি আর্থিক বিবরণী প্রকাশিত হয়। তা থেকে জানা যায়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ওই কোম্পানি দুটির প্রত্যেকটি থেকে অন্তত ৫ লাখ ডলার মূল্যের মোট ১০ লাখ ডলারের ঋণপত্র (বন্ড) কিনেছেন। তবে লক্ষণীয় বিষয় হলো, ওয়ার্নার ব্রাদার্সকে অধিগ্রহণে নেটফ্লিক্সের ৮ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের সেই ঐতিহাসিক চুক্তির ঘোষণার মাত্র কয়েক দিনের মাথাতেই এই বিনিয়োগ সেরে নিলেন ট্রাম্প।

    আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী, ট্রাম্প দুই দফায় নেটফ্লিক্সের বন্ডগুলো কিনেছেন। এর মধ্যে গত ১২ ডিসেম্বর প্রথম দফায় ২ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৫ লাখ ডলার সমমূল্যের এবং ১৬ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় সমপরিমাণ মূল্যের বন্ড কেনা হয়েছে। নেটফ্লিক্সের এই বন্ডগুলোর মেয়াদ ২০২৯ সালের নভেম্বরে শেষ হবে।

    বিবরণীতে আরও দেখা যায়, ট্রাম্প ওয়ার্নার ব্রাদার্স ডিসকভারির সহযোগী প্রতিষ্ঠান 'ডিসকভারি কমিউনিকেশনস এলএলসি'-র ইস্যু করা বন্ডও কিনেছেন। নেটফ্লিক্সের মতোই গত ১২ ডিসেম্বর প্রথম দফায় ২ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৫ লাখ ডলার এবং ১৬ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় একই পরিমাণ মূল্যের বন্ড কেনেন তিনি। ওয়ার্নার ব্রাদার্সের এই বন্ডগুলোর মেয়াদ ২০৩০ সালে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

    হোয়াইট হাউসের দাবি, এই বিনিয়োগ ট্রাম্পের ব্যক্তিগত কোনো সিদ্ধান্ত নয়। এটি মূলত একটি ‘স্বয়ংক্রিয় বিনিয়োগ পদ্ধতি’, যেখানে কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে না বেছে বরং বাজারের শীর্ষ কোম্পানিগুলোর একটি সাধারণ তালিকা (সূচক) অনুসরণ করে বিনিয়োগ করা হয়। যেহেতু নেটফ্লিক্স বা ওয়ার্নার ব্রাদার্স বাজারের বড় কোম্পানি, তাই ওই তালিকার অংশ হিসেবেই অর্থ বিনিয়োগ হয়েছে। এই পুরো প্রক্রিয়াটি পেশাদার ব্যবস্থাপকরা পরিচালনা করলেও ট্রাম্পের সরাসরি কোনো হস্তক্ষেপ নেই।

    নথিতে দেখা গেছে, ট্রাম্প শুধু নেটফ্লিক্স বা ওয়ার্নার ব্রাদার্সেই বিনিয়োগ করেননি। ডিসেম্বরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য ও শহরের প্রচুর মিউনিসিপ্যাল বন্ড (সরকারি বন্ড) কিনেছেন। এর পাশাপাশি জেনারেল মোটরস, বোয়িং, মেসিস এবং ভিক্টোরিয়াস সিক্রেটের মতো বড় বড় আমেরিকান কোম্পানির বন্ডও তার তালিকায় রয়েছে।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন