শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার: আনোয়ার ইব্রাহিম স্পারসো ও জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে নতুন দায়িত্ব পেলেন দুই কর্মকর্তা মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের নতুন ট্রাস্টি বোর্ড, চেয়ারম্যান তারেক রহমান রপ্তানি নীতিতে পরিবর্তন, ফ্রিল্যান্সার ও ই-কমার্স খাতে বাড়ছে সুযোগ ওয়ানডের নতুন অধিনায়ক লিটন দাস সিলেটে এনসিপির কর্মসূচির পথে হামলার অভিযোগ, ক্ষতিগ্রস্ত সারজিসের গাড়ি মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি, ভুয়া নিয়োগে কঠিন ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী ‘দেখি কত সন্ত্রাসী আছে এই সরকারের’, গোলাপগঞ্জে যাওয়ার ঘোষণা নাহিদ ইসলামের হামের উপসর্গে আরও চার শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যাও ঢাকায় পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গোর
  • ধর্মেন্দ্রর দুই সংসারের মাঝে ফাটল?

    ধর্মেন্দ্রর দুই সংসারের মাঝে ফাটল?
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    প্রয়াত বলিউড সুপারস্টার ধর্মেন্দ্র ব্যক্তিগত জীবনে দুটি সংসার করেছেন। প্রথমে বিবাহ করেছিলেন প্রকাশ কৌরের সঙ্গে, এরপর ভালোবেসে ঘর বাঁধেন অভিনেত্রী হেমা মালিনীর সঙ্গে। ২৪ নভেম্বর মুম্বাইয়ের বাসভবনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর পর, তার দুই পরিবার আলাদা আলাদাভাবে প্রার্থনা সভার আয়োজন করেছে।

    গত ২৭ নভেম্বর মুম্বাইয়ে প্রার্থনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন ধর্মেন্দ্রর প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর এবং পুত্র সানি ও ববি দেওল। গত ১১ ডিসেম্বর দিল্লিতে দ্বিতীয় প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যা আয়োজন করেন ধর্মেন্দ্রর দ্বিতীয় স্ত্রী হেমা মালিনী এবং কন্যা এশা ও অহনা দেওল। এই প্রার্থনা সভাটি হেমার নিজ বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয়।

    এরপর পর থেকে গুঞ্জন উড়ছিল, দুই পক্ষের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো নেই। ফলে সামনে আসে ধর্মেন্দ্রর সম্পদের বিষয়টিও। বিশেষ করে তার লোনাভালার ফার্মহাউজটি। নেটিজেনরাও প্রশ্ন তুলেন, “তবে কি সম্পত্তি নিয়ে বিরোধে জড়িয়েছেন ধর্মেন্দ্রর ছেলে-মেয়েরা?” এ নিয়ে চর্চা চললেও নীরব ছিল পুরো পরিবার। অবশেষে বিষয়টি নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন হেমা মালিনী।

    আলাদা প্রার্থনা সভার কারণ ব্যাখ্যা করে হেমা মালিনী বলেন, “এটা আমাদের পারিবারিক ও ব্যক্তিগত বিষয়। পরিবারের সদস্যরা মিলে বিষয়টি নিয়ে আগেই আলোচনা করেছিলাম। এটি ঘনিষ্ঠ মানুষদের নিয়ে করা হয়।”

    দিল্লিতে প্রার্থনা সভার আয়োজন করা প্রসঙ্গে হেমা মালিনী বলেন, “আমি যেহেতু রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত, ফলে বন্ধুদের জন্য দিল্লিতে একটি সভা করা জরুরি ছিল। তাছাড়াও লোকসভা কেন্দ্র মথুরায় একটি প্রার্থনা সভা করেছি। কারণ সেখানকার মানুষ ধর্মেন্দ্রর ভীষণ ভক্ত।”

    লোনাভালার ফার্মহাউজ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতারও অবসান ঘটিয়েছেন হেমা মালিনী। এ অভিনেত্রী বলেন, “ধর্মেন্দ্রর অত্যন্ত প্রিয় লোনাভালার ফার্মহাউজটি তার ভক্তদের জন্য একটি জাদুঘরে রূপান্তরিত করা হবে। সানি দেওল এই উদ্যোগ নিয়েছে। অবশ্যই এটি বাস্তবায়িত হবে। সবকিছু খুব সুন্দরভাবেই এগোচ্ছে। ‘দুটি আলাদা পরিবার, কী হবে’—এটা নিয়ে চিন্তা করার কোনো দরকার নেই। এ নিয়ে কাউকে দুশ্চিন্তা করতে হবে না। আমরা সবাই একদম ভালো আছি।”

    ১৯৭০ সালে ‘তুম হাসিন ম্যায় জওয়ান’ সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেন হেমা মালিনী-ধর্মেন্দ্র। এ সিনেমার শুটিং সেটে তাদের প্রথম দেখা হয়। সেখান থেকে মনের লেনাদেনা শুরু। যদিও তখন প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিয়েবিচ্ছেদ হয়নি ধর্মেন্দ্রর। সবকিছু উপেক্ষা করে ১৯৮০ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এই প্রেমিক জুটি।- হিন্দুস্থান টাইমস


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন