বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • রেমিট্যান্সে রেকর্ড প্রবৃদ্ধি, বাণিজ্য ঘাটতিতে অস্বস্তি শান্তি ও মানবতার বার্তায় চট্টগ্রামে জশনে জুলুস ট্রলারডুবিতে নিখোঁজ ৫ জেলে, তদারকি করছেন চিফ হুইপ বাংলাদেশকে হারাতে এমন পিচ বানানো হয়েছে, অভিযোগ গাভাস্কারের যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত পাল্টা শুল্ক কানাডার চার খুনের ঘটনায় সীমান্তের জবানবন্দি, আসামিদের বক্তব্যের সঙ্গে মিল ঢাকায় যাত্রাবিরতিতে ভুটানের রাজা, বিমানবন্দরে স্বাগত জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা পেলেন আশিক চৌধুরী "কালকিনি সাংবাদিক ইউনিয়ন" এর আত্মপ্রকাশ চেয়ার-সোফার পেছনে জাতীয় পতাকা প্রদর্শন বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ
  • দূষণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি: বাংলাদেশের বাতাস বছরে ১০ লাখ মানুষের প্রাণ নেয়

    দূষণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি: বাংলাদেশের বাতাস বছরে ১০ লাখ মানুষের প্রাণ নেয়
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    দক্ষিণ এশিয়ার ইন্দো-গাঙ্গেয় সমভূমি ও হিমালয়ের পাদদেশে বায়ু দূষণ স্বাস্থ্য, অর্থনীতি এবং উৎপাদনশীলতার জন্য মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই অঞ্চলে প্রায় এক বিলিয়ন মানুষ অস্বাস্থ্যকর বায়ু শ্বাস নেয়, যার ফলে প্রতি বছর প্রায় ১০ লাখ মানুষ অকাল মৃত্যুবরণ করছে।

    বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস থেকে বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বায়ু দূষণের কারণে আঞ্চলিক জিডিপির প্রায় ১০ শতাংশ ক্ষতি হচ্ছে। বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভুটান এবং পাকিস্তানের কিছু অংশকে বায়ু দূষণের মূল উৎস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দূষণ মূলত রান্না ও গরম করার জন্য কঠিন জ্বালানি পোড়ানো, জীবাশ্ম জ্বালানি বা বায়োমাস পোড়ানো, অদক্ষ যানবাহন ব্যবহার, কৃষিতে ফসলের অবশিষ্টাংশ পোড়ানো এবং বর্জ্য দহন থেকে উৎপন্ন হচ্ছে। এসব কারণে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে এবং অর্থনৈতিক ক্ষতির সৃষ্টি হচ্ছে।

    বিশ্বব্যাংক উল্লেখ করেছে, কার্যকর সমাধানগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে দূষণ কমানো, স্বাস্থ্য উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব। প্রস্তাবিত সমাধানগুলোর মধ্যে রয়েছে:

    • বৈদ্যুতিক রান্নাঘর ব্যবহার এবং শিল্প চুল্লি ও বয়লার আধুনিকীকরণ

    • সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহার ও পরিবহন খাতের বৈদ্যুতিকীকরণ

    • কৃষি ও পশুপালনের বর্জ্য সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা

    • বর্জ্য পুনর্ব্যবহার, পৃথকীকরণ ও নিষ্কাশন

    পরিবেশগত নীতিমালার তিনটি মূল স্তম্ভে এগুলো ভাগ করা হয়েছে:

    1. উৎস থেকে দূষণ হ্রাস: রান্না, শিল্প, পরিবহন, কৃষি ও বর্জ্য ব্যবস্থায় নির্গমন হ্রাস

    2. সুরক্ষা ব্যবস্থা: স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাত শক্তিশালী করে ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদায় সুরক্ষা

    3. নিয়ন্ত্রক কাঠামো ও আঞ্চলিক সমন্বয়: সময়ের সাথে বহু-খাতের অগ্রগতি বজায় রাখা

    বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র পরিবেশ অর্থনীতিবিদ মার্টিন হেগার বলেন, “এই প্রতিবেদন দেখাচ্ছে যে সমাধানগুলো নাগালের মধ্যে। নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের জন্য প্রমাণ-ভিত্তিক ও বাস্তবায়নযোগ্য রোডম্যাপ রয়েছে। স্থানীয় উদ্যোগ, পরিবার ও কৃষকদের ক্লিন প্রযুক্তি গ্রহণে অর্থনৈতিক যুক্তি রয়েছে।”

    অ্যান জেনেট গ্লোবার, বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়ার পরিবেশ অনুশীলন ব্যবস্থাপক, বলেন, “স্থানীয়, জাতীয় এবং আঞ্চলিক স্তরে সহযোগিতা ও টেকসই অর্থায়নের মাধ্যমে দূষণ কমানো সম্ভব। একসাথে কাজ করে লাখ লাখ জীবন বাঁচানো যায় এবং সবার জন্য পরিষ্কার বাতাস নিশ্চিত করা যায়।”


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আরও পড়ুন