কিংবদন্তি গায়িকা রুনা লায়লার ৭৩তম জন্মদিন আজ

দেশের প্রখ্যাত এবং কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী রুনা লায়লার আজ ৭৩তম জন্মদিন উদযাপন করছেন। দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে সংগীত জগতে তার কণ্ঠ দেশের শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছে।
বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনের পাশাপাশি রুনা লায়লার কণ্ঠ শুনে ফ্যান ছিলেন ভারতীয় এবং পাকিস্তানি চলচ্চিত্রের দর্শকরাও। তার গাওয়া গানগুলো ছড়িয়ে আছে বাংলা চলচ্চিত্র, হিন্দি সিনেমা, উর্দু সিনেমা সহ মোট ১৮টি ভাষায়। মোটমাট ১৩ হাজারেরও বেশি গান রেকর্ড করেছেন তিনি, যা তাকে দক্ষিণ এশিয়ার সংগীত জগতে এক অনন্য মর্যাদা দিয়েছে।
সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা অনেক গুণের অধিকারী। তিনি সুরকার হিসাবেও অনবদ্য। সুরকার হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছেন। তারই সুর করা গানে কণ্ঠ দিয়েছেন আশা ভোসলে, হরিহরণ, রাহাত ফাতেহ আলী খান, আদনান সামী, আঁখি আলমগীরসহ বর্তমান প্রজন্মের একাধিক শিল্পী।
জন্মদিন প্রসঙ্গে রুনা লায়লা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘শুরুতেই সৃষ্টিকর্তার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, আমাকে এখনো সুস্থ রেখেছেন। সবার কাছে দোয়া চাই যেন বিধাতা আমাকে, আমার পরিবারের সবাইকে সুস্থ রাখেন, ভালো রাখেন। আমি যেন আরও সুন্দর সুন্দর গান শ্রোতা-দর্শককে উপহার দিতে পারি। সংগীত জীবনে দীর্ঘ ষাট বছরের চলার পথে মানুষের যে শ্রদ্ধা ভালোবাসা পেয়েছি, তাতে মনে করি সবার দোয়ায় আজ এ পর্যন্ত আসতে পেরেছি।’
কেবলমাত্র ভোকাল পারফরম্যান্সেই নয়, তার সুর এবং আবেগের ছোঁয়া শ্রোতাদের হৃদয়ে গভীর ছাপ রেখেছে। রুনা লায়লার গান আজও তরুণ প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে বিবেচিত।
রুনা লায়লার কণ্ঠ তার সময়ের অনেক শিল্পীর জন্য দিশারী হিসেবে কাজ করেছে। এই দিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ভক্তরা তাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন এবং তার অসামান্য সংগীত যাত্রাকে স্মরণ করছেন।
রুনা লায়লার জন্মদিনে দেশের সংগীতপ্রেমীরা তাকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করছেন, যিনি বাংলা এবং দক্ষিণ এশিয়ার সংগীতকে সমৃদ্ধ করেছেন তার কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে।