বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার: আনোয়ার ইব্রাহিম স্পারসো ও জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে নতুন দায়িত্ব পেলেন দুই কর্মকর্তা মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের নতুন ট্রাস্টি বোর্ড, চেয়ারম্যান তারেক রহমান রপ্তানি নীতিতে পরিবর্তন, ফ্রিল্যান্সার ও ই-কমার্স খাতে বাড়ছে সুযোগ ওয়ানডের নতুন অধিনায়ক লিটন দাস সিলেটে এনসিপির কর্মসূচির পথে হামলার অভিযোগ, ক্ষতিগ্রস্ত সারজিসের গাড়ি মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি, ভুয়া নিয়োগে কঠিন ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী ‘দেখি কত সন্ত্রাসী আছে এই সরকারের’, গোলাপগঞ্জে যাওয়ার ঘোষণা নাহিদ ইসলামের হামের উপসর্গে আরও চার শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যাও ঢাকায় পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গোর
  • ধর্মেন্দ্র মারা যাননি, এশা দেওল জানালেন সত্যি অবস্থা

    ধর্মেন্দ্র মারা যাননি, এশা দেওল জানালেন সত্যি অবস্থা
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ফের ভাইরাল হয়েছে বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রের মৃত্যুর খবর। অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে নেওয়ার পর তাকে ভেন্টিলেশন সাপোর্টে রাখা হয়েছে। এরই মধ্যে গত রাতে খবর ছড়ায় যে তিনি মারা গেছেন। সেই রেশও মুছে যেত না, মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সকালে ফের তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। তবে অভিনেতার মেয়ে এশা দেওল জানিয়েছেন, এটি সম্পূর্ণ ভুয়া খবর।

    এদিন সকালে সোশ্যাল মিডিয়া ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে এক বিবৃতিতে বাবার শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়েছেন এশা দেওল। সেখানেই জানিয়েছেন, তার বাবাকে নিয়ে ছড়িয়ে পড়া খবরটি সঠিক নয়।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিনেত্রী এশা দেওল লিখেছেন, গত কয়েকদিন ধরে আমার বাবার শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে। তার শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। সবাইকে অনুরোধ করব, আমাদের পরিবারের গোপনীয়তাকে সম্মান করুন। বাবার দ্রুত আরোগ্য কামনা করুন।

    প্রসঙ্গত, ১৯৩৫ সালের ৮ ডিসেম্বর পাঞ্জাবের নসরালি গ্রামে জন্ম ধর্মেন্দ্রর। ছোটবেলা থেকেই সিনেমার প্রতি বেশ আগ্রহ ছিল তার। পরিবারের দায়িত্ব সামলাতে তরুণ বয়সেই ভারতীয় রেলে কেরানির পদে চাকরি নেন। ওই সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৯ বছর। তারপর প্রথম বিয়ে হয় প্রকাশ কৌরের সঙ্গে।

    এ সময় ধর্মেন্দ্র বুঝতে পারেন, রেলের চাকরিতে তার মন টিকছে না। জায়গা করে নেন ক্যামেরার সামনে। তারপর স্বপ্ন পূরণের আশায় পাড়ি জমান মুম্বাইয়ে। সেখানেও ভাগ্যকে সহজে লক্ষ্যে নিতে পারছিলেন না। ধারাবাহিকভাবে অডিশন দিতে থাকেন। ১৯৬০ সালে ‘দিল ভি তেরা হাম ভি তেরা’ সিনেমায় সুযোগ পান।

    এ অভিনেতা দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ‘শোলে’, ‘ছুপকে ছুপকে’, ‘ধরমবীর’, ‘ফুল অউর পাথর’, ‘সত্যকাম’, ‘রাজা জানি’, ‘রাখওয়ালা’র মতো একাধিক সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন দর্শকদের।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন