বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার: আনোয়ার ইব্রাহিম স্পারসো ও জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে নতুন দায়িত্ব পেলেন দুই কর্মকর্তা মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের নতুন ট্রাস্টি বোর্ড, চেয়ারম্যান তারেক রহমান রপ্তানি নীতিতে পরিবর্তন, ফ্রিল্যান্সার ও ই-কমার্স খাতে বাড়ছে সুযোগ ওয়ানডের নতুন অধিনায়ক লিটন দাস সিলেটে এনসিপির কর্মসূচির পথে হামলার অভিযোগ, ক্ষতিগ্রস্ত সারজিসের গাড়ি মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি, ভুয়া নিয়োগে কঠিন ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী ‘দেখি কত সন্ত্রাসী আছে এই সরকারের’, গোলাপগঞ্জে যাওয়ার ঘোষণা নাহিদ ইসলামের হামের উপসর্গে আরও চার শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যাও ঢাকায় পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গোর
  • মুম্বাইয়ে নেহা কক্করের নামে প্রতারণা চক্র সক্রিয়

    মুম্বাইয়ে নেহা কক্করের নামে প্রতারণা চক্র সক্রিয়
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    বলিউড গায়িকা নেহা কক্করের নাম ও ছবি ব্যবহার করে মুম্বাইয়ে ঘটেছে বড় ধরনের প্রতারণা। একটি ভুয়া অনলাইন ট্রেডিং প্ল্যাটফর্মের ফাঁদে পড়ে শহরের এক নারী আইনজীবী হারিয়েছেন পাঁচ লাখ রুপির বেশি।

    ওরলি থানায় অভিযোগ করেছেন আইনজীবী শবনম মুহাম্মদ হুসেন সায়েদ (৪৫)। তিনি জানান, চলতি বছরের জুন মাসে সামাজিক মাধ্যমে একটি আন্তর্জাতিক অনলাইন ট্রেডিং প্ল্যাটফর্মের বিজ্ঞাপন চোখে পড়ে। বিজ্ঞাপনটিতে নেহা কক্করকে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে দেখানো হয়, যা দেখে প্ল্যাটফর্মটির প্রতি তার আস্থা তৈরি হয়। বিজ্ঞাপনের ভাষ্যেও প্ল্যাটফর্মটিকে নিরাপদ ও লাভজনক বিনিয়োগ মাধ্যম বলে প্রচার করা হয়েছিল।

    প্রতারণার ফাঁদে পড়ে শবনম যোগাযোগ করেন টেলিগ্রাম, জুম এবং ইমেইলের মাধ্যমে। সেখানে ‘বিজয়’ ও ‘জিমি ডিসুজা’ নামের দুই ব্যক্তি বিনিয়োগের নানা লোভনীয় প্রস্তাব দেন এবং স্বল্প সময়ে বেশি লাভের প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। ধাপে ধাপে জুন থেকে অক্টোবরের মধ্যে শবনম বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঁচ লাখ রুপির বেশি পাঠান। সমস্যা দেখা দেয় বিনিয়োগের পর। প্রতিশ্রুত মুনাফা না পাওয়ায় তিনি বুঝতে পারেন যে পুরো বিষয়টি ছিল সাজানো প্রতারণা। এরপরই তিনি পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন।

    ওরলি থানার কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভারতীয় দণ্ডবিধি ও তথ্যপ্রযুক্তি আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা তদন্ত করা হচ্ছে। সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করতে পুলিশ অনলাইন লেনদেনের রেকর্ড, কল ডিটেইলস ও জুম মিটিংয়ের তথ্য বিশ্লেষণ করছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, সুপরিচিত সেলিব্রিটির নাম ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের আস্থা তৈরি করাই ছিল প্রতারকদের প্রধান কৌশল।


    দৈএনকে/ জে .আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন