‘থর’ ও ‘ক্যাপ্টেন মার্ভেল’-এর শেষ অধ্যায় আসছে কি?

আগামী ১৮ ডিসেম্বর ২০২৬ সালে মুক্তি পাচ্ছে মার্ভেল সিনামাটিক ইউনিভার্সের বহুল প্রতীক্ষিত ছবি ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’। সম্প্রতি এর কাস্ট ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র সংক্রান্ত তথ্যও প্রকাশ পেয়েছে। ২০২৫ সালের শুরুতে, মার্ভেল একটি ভিডিওতে ছবির কাস্ট ঘোষণা করেছিল, তবে তাতেও ছবিটির বিস্তারিত সম্পর্কে খুব বেশি জানা যায়নি। খবরটি কমিক বুক মুভি থেকে প্রকাশিত।
যদিও ছবির প্লট এবং অন্যান্য চরিত্র সম্পর্কিত অনেক কিছু অজ্ঞাত, তবে একদম শীর্ষে থাকা প্রশ্ন হলো, ডক্টর ডুম চরিত্রে এবার অভিনয় করছেন রবার্ট ডাউনি জুনিয়র।
এ বছর, শাংহাইয়ের ‘ওয়াল্ট ডিজনি স্টুডিও মার্কেটিং এক্সপো’-তে একটি প্রোমো আর্ট প্রকাশের মাধ্যমে ডক্টর ডুমের অর্টিফিশিয়াল আর্মরের একটি ঝলক দেখা যায়। তবে সম্প্রতি, এই আর্টের একটি এইচডি ভার্সন অনলাইনে ফাঁস হয়ে গেছে, যা ছবিটির বিভিন্ন বিস্তারিত প্রকাশ করেছে। নতুন এই সংস্করণে দেখা যায়, ডুমের বিকের অংশে দুটি ডিস্ক-আকৃতির ফাস্টনার রয়েছে, যেগুলি তার পোশাকের সাথে যুক্ত। তবে, এবার বিশেষ মনোযোগ আকর্ষণ করেছে এই ফাস্টনারগুলোর ডিজাইন।
প্রথম দর্শনে, এর মধ্যে একটির ওপর স্পষ্টভাবে ক্যাপ্টেন মার্ভেলের লোগো এবং অন্যটির ওপর থরের হাতুড়ি, মিওলনির আকৃতি দেখা যাচ্ছে। যদিও এটি শুধু তাত্ত্বিক ধারণা, তবুও এই ধরণের প্রতীকগুলো সাধারণত উদ্দেশ্যপূর্ণই হয়। তাই প্রশ্ন উঠেছে- এ কি সত্যিই ক্যাপ্টেন মার্ভেল এবং থরের প্রতীক, নাকি কিছু ভিন্ন বার্তা দেয়ার চেষ্টা?
যদি এ দুই প্রতীক সঠিকভাবে ক্যাপ্টেন মার্ভেল এবং থরের সাথে সম্পর্কিত হয়, তবে তত্ত্বটি এমন একটি ভয়ংকর ধারণা তৈরি করে, যে ডক্টর ডুম এই দুই মার্ভেল সুপারহিরোকে হত্যা করেছেন এবং তাদের প্রতীকগুলো তার আর্মারে মেমেন্টো হিসেবে পরিধান করেছেন। এটা যদি সত্য হয়, তাহলে তিনি সম্ভবত মাল্টিভার্সাল থর এবং ক্যাপ্টেন মার্ভেলকে পরাস্ত করেছেন, কারণ এমসিইউ’র ৬১৬ ভার্সনের চরিত্রগুলো এখনও জীবিত।
এই ধারণাটি একেবারে অবাস্তব নয়, কারণ ছবির নির্মাণের প্রথম পর্যায়ে ক্যাং ছিল প্রধান ভিলেন, যার গল্পে একাধিক মাল্টিভার্স থেকে বিভিন্ন সুপারহিরোদের হত্যা করার উল্লেখ ছিল। তবে, ছবির প্লট পুনরায় লেখা হয়েছে এবং ক্যাংয়ের পরিবর্তে এখন ডক্টর ডুমকে এই ভিলেন হিসেবে রাখা হয়েছে। ফলে, এই ধারাটি ডুমের জন্যও মানানসই হতে পারে, যেহেতু তার চরিত্রও অনেকটা সেই একই রকম ভয়ঙ্কর প্রতিপক্ষ হিসেবে গড়ে উঠেছে।
ডক্টর ডুমের প্রতি এই সম্ভাব্য ধারণা যদি বাস্তবে পরিণত হয়, তাহলে তার চরিত্রে আরও এক নতুন মাত্রা যোগ হবে। থর এবং ক্যাপ্টেন মার্ভেলকে পরাস্ত করে তাদের প্রতীকধারী হওয়া তার শক্তির প্রতীক হতে পারে, যা তাকে এক নতুন ভিলেন হিসেবে তুলে ধরবে। তবে, শেষ পর্যন্ত ছবির মুক্তির পরই সঠিক উত্তর জানা যাবে।
তবে, এটি নিশ্চিত যে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ ছবিটি ভক্তদের জন্য এক বড় চমক হতে যাচ্ছে, যেখানে দেখতে পারবে এক নতুন রূপে ডক্টর ডুমের ভয়াবহ ক্ষমতা এবং সম্ভাব্য অভিপ্রায়।
দৈএনকে/জে .আ