মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj

সৌরবিদ্যুতে চার্জ না হলে মিলবে না ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন

সৌরবিদ্যুতে চার্জ না হলে মিলবে না ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে নিবন্ধন পেতে হলে রিকশার ব্যাটারি সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে চার্জ করা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন দেওয়া হবে। তবে সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া অন্য কোনো উৎসের বিদ্যুৎ ব্যবহার করে ব্যাটারি চার্জ করা হলে সংশ্লিষ্ট রিকশা নিবন্ধনের সুযোগ পাবে না। সৌরবিদ্যুতের বাইরে অন্য উৎসের বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ করলে জরিমানার বিধানও রাখা হবে।

তিনি জানান, এসব ই-রিকশার নিবন্ধন এখন থেকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) করবে না। সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা নিবন্ধনের দায়িত্ব পালন করবে। এ বিষয়ে জাতীয় সংসদে আইন পাস হয়েছে এবং সেই আইনের ভিত্তিতে বিধিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে। বিধিমালায় নিবন্ধন ও নবায়ন ফিসহ অন্যান্য শর্ত নির্ধারণ করা হবে।

ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন ও নবায়নের ক্ষেত্রে ফিটনেস সনদ বাধ্যতামূলক করা হবে। এ জন্য বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) অথবা জেলা পর্যায়ের সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অটোমোবাইল বিভাগ থেকে ফিটনেস সনদ নিতে হবে।

ফিটনেস সনদ পাওয়ার পর ট্রাফিক পুলিশের প্রতিস্বাক্ষর নিয়ে সেটি সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন বা পৌরসভায় জমা দিতে হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

ঢাকা শহরের ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাগুলোকে আটটি জোনে ভাগ করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এ বিষয়ে বিধিমালা তৈরির প্রাথমিক বৈঠক ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে বুয়েটের বিশেষজ্ঞ, ঢাকা ট্রাফিক পুলিশ এবং দুই সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

কবে থেকে নতুন নিয়ম কার্যকর হবে জানতে চাইলে মীর শাহে আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষে বিধিমালায় বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পরই কার্যক্রম শুরু হবে।

এদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গেও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, চলতি অর্থবছরের বাজেটে পাঁচ ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।

পাঁচটি নির্বাচন আয়োজনের জন্য আনুমানিক ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে বলে জানান তিনি। নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করেছে।

মীর শাহে আলম বলেন, নির্বাচনের সময় নির্ধারণের ক্ষেত্রে আর্থিক বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে। নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি শেষ হলে নির্বাচন কমিশন, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও অর্থ বিভাগ যৌথভাবে বসে নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করবে।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

সর্বশেষ

আরও পড়ুন