বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • নেটদুনিয়ায় আলোচনায় তানিয়া মিশ্রা, জানুন তার পরিচয় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ সামাজিক অনাচার দূর করতে সরকার ব্যর্থ: চরমোনাই পীর হামের উপসর্গে আরও ৫ মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৩ অপরাধীর কোনো দলীয় পরিচয় নেই, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে: আইজিপি দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কে চেহারা, নাকি ব্যক্তিত্ব-কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ? দুদকের প্রেস ব্রিফিং নিয়ে আসিফ মাহমুদের রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ হৃদরোগ প্রতিরোধে সচেতনতার বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জনকল্যাণে এআই ও সেমিকন্ডাক্টরে গবেষণার আহ্বান রাষ্ট্রপতির একনেকে ১৩ উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ১৫ হাজার ৮২৩ কোটি টাকা
  • বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির সতর্কতা

    বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির সতর্কতা
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    কয়েক দিনের টানা বর্ষণের পর বুধবার সকালে চট্টগ্রামের আকাশে কিছুটা স্বস্তির আভাস মিললেও সেই বিরতি দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে না। বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকেই আবার আকাশে মেঘের আনাগোনা বেড়েছে। হালকা বৃষ্টির পাশাপাশি কালো মেঘে ঢেকে যাচ্ছে আকাশ। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, আজ থেকেই আবারও বৃষ্টির তীব্রতা বাড়তে পারে।

    চট্টগ্রামের পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন জুড়ে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে নতুন করে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ায় এবং মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

    পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম জানান, আজ থেকে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়তে পারে। কয়েক দিন ধরে চট্টগ্রাম অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সঙ্গে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। সমুদ্রে সৃষ্ট লঘুচাপ এবং সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসেও একই ধরনের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ওপর মৌসুমি বায়ু সক্রিয় রয়েছে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে তা প্রবল অবস্থায় রয়েছে। এর প্রভাবে চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণও হতে পারে। আগামী পাঁচ দিন এই বৃষ্টিপাতের ধারা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

    গত সপ্তাহের টানা ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছিল। পাহাড়ধসের ঝুঁকি থাকায় পাহাড়ঘেঁষা এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল জেলা প্রশাসন।

    এরপর ৭ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে যায় এবং বহু মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে দুর্ভোগে পড়েন। যদিও সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বন্যার পানি ধীরে ধীরে নেমে যেতে শুরু করেছে।

    আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বর্ষা মৌসুমে এক-দুই দিনের বিরতির পর আবারও বৃষ্টিপাত শুরু হওয়া স্বাভাবিক ঘটনা। তবে মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় এবারও কয়েক দিন বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। তাই পাহাড়ি ও নিচু এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি আবহাওয়ার সর্বশেষ পূর্বাভাস নিয়মিত অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ