ব্রেকআপ মানেই শেষ নয়, নতুন শুরুর উদযাপন হওয়া উচিত: জেনিফার লোপেজ

হলিউডের জনপ্রিয় পপ তারকা ও অভিনেত্রী জেনিফার লোপেজ মনে করেন, সম্পর্কের বিচ্ছেদকে ব্যর্থতা হিসেবে নয়, বরং নতুন জীবনের সূচনা হিসেবে দেখা উচিত। একাধিক বিবাহবিচ্ছেদের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বলেন, ব্রেকআপের পর মন খারাপ না করে বরং তা উদযাপন করাই ভালো।
সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া তার নতুন রোমান্টিক কমেডি ‘অফিস রোমান্স’-এর প্রচারণায় মিশরীয় কমেডিয়ান কারিম রাহমারের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘সাবওয়ে টেকস’-এ অংশ নিয়ে ব্যক্তিগত জীবন, প্রেম এবং আত্মউন্নয়ন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন জেনিফার।
তিনি জানান, জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা এবং ব্যক্তিগত বিকাশ এসেছে কঠিন সময় ও হৃদয় ভাঙার অভিজ্ঞতা থেকে। তার ভাষায়, সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর মানুষ নিজের ভেতরটা নতুন করে আবিষ্কার করার সুযোগ পায়।
জেনিফার বলেন, “শুধু প্রেম নয়, ক্যারিয়ারে ব্যর্থতা বা জীবনের বড় ধাক্কাগুলোও মানুষকে বদলে দেয়। তখনই আমরা নিজেকে প্রশ্ন করি—কী ভুল হয়েছে, কীভাবে আরও ভালো করা যেত এবং সামনে কীভাবে এগিয়ে যেতে হবে।”
ব্রেকআপ নিয়ে সমাজে প্রচলিত নেতিবাচক ধারণার বিরোধিতা করে এই তারকা বলেন, সম্পর্ক শেষ হওয়াকে সবসময় দুঃখের বিষয় হিসেবে দেখা উচিত নয়। বরং এটি অনেক সময় সঠিক সিদ্ধান্ত এবং নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দেয়।
তার মতে, “আমাদের উচিত ব্রেকআপের পর পার্টি করা। কেউ যদি বলে তার সম্পর্ক শেষ হয়েছে, তাহলে তাকে অভিনন্দন জানানো উচিত। কারণ, সে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং হয়তো সেটাই সংশ্লিষ্ট সবার জন্য সবচেয়ে ভালো হয়েছে।”
ব্যক্তিগত জীবনে জেনিফার লোপেজ চারবার বিয়ে করেছেন। প্রথম স্বামী ছিলেন ওজানি নোয়া। এরপর ক্রিস জুড এবং গায়ক মার্ক অ্যান্থনির সঙ্গে সংসার করেন। মার্ক অ্যান্থনির সঙ্গে তার যমজ সন্তান ম্যাক্স ও এম্মে রয়েছে।
পরবর্তীতে সাবেক বেসবল তারকা অ্যালেক্স রদ্রিগেজের সঙ্গে বাগদান হলেও সেই সম্পর্ক বিয়ে পর্যন্ত গড়ায়নি। পরে পুরোনো প্রেমিক অভিনেতা বেন অ্যাফ্লেককে বিয়ে করলেও ২০২৪ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।
সব অভিজ্ঞতার পরও জেনিফার মনে করেন, জীবনের প্রতিটি সমাপ্তি নতুন একটি সম্ভাবনার সূচনা করে, আর সেই পরিবর্তনকে ইতিবাচকভাবেই গ্রহণ করা উচিত।