খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজার প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে, নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ সতর্কতা

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফনকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। কয়েক দিনব্যাপী এই রাষ্ট্রীয় আয়োজনকে ইরানের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ শোকানুষ্ঠান হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছয় দিনব্যাপী এ কর্মসূচি ইরান ও প্রতিবেশী ইরাকের মোট পাঁচটি শহরে অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রার্থনা চত্বরে জানাজার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে।
এরপর সোমবার তেহরানের প্রধান সড়কগুলোতে শোকমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। মিছিলটি ৭ জুলাই পবিত্র শহর কোমে পৌঁছাবে। পরে ইরাকের নজফ ও কারবালা শহরেও বিভিন্ন ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠিত হবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ৯ জুলাই খামেনির মরদেহ তার জন্মস্থান মাশহাদে নেওয়া হবে, যেখানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন হবে।
ইরানের কর্মকর্তাদের আশা, জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে দেড় থেকে দুই কোটির বেশি মানুষ অংশ নেবেন। এ উপলক্ষে দেশজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক পর্যায়েও এ আয়োজন ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান, ভারত, জর্জিয়া ও কিউবাসহ ৩০টির বেশি দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিশ্বের প্রায় ৯০টি দেশের ধর্মীয় নেতাদের উপস্থিতির সম্ভাবনাও রয়েছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফও চলতি মাসের শুরুতে দেশটির পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তব্যে খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন।