সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • বাংলাদেশের দুর্গম চরাঞ্চলে ৮ লাখের বেশি রোগীকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে লাইফবয় ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল সরকারের বড় সাফল্য স্বাস্থ্যখাতের ওপর নির্ভর করছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাপান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান অপ্রতিম হত্যায় অন্য কোনো কারণ ছিল কি না, উঠছে প্রশ্ন মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় এমপি গাজী নজরুলসহ প্রথম স্ত্রী গ্রেপ্তার, মামলা লাইব্রেরিতে বই হাতে অপু বিশ্বাস, কী বার্তা দিচ্ছেন তিনি! স্মার্টফোনে ভালো ছবি তুলতে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলায় একই পরিবারের ৩ জন নিহত যাত্রাবাড়ীতে পরিত্যক্ত ব্যাগ থেকে ১০ ককটেল উদ্ধার নমপেনে অনলাইন স্ক্যাম: ৯ বাংলাদেশি নাগরিক আটক
  • ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠুন এই ৭ দিনের পরীক্ষিত আমলে

    ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠুন এই ৭ দিনের পরীক্ষিত আমলে
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    মাঝে মাঝে জীবনটা এক জায়গায় থমকে যায়। দিনরাত আপ্রাণ চেষ্টা, হাড়ভাঙা খাটুনি, তবুও কাঙ্ক্ষিত সাফল্যের দেখা মেলে না। অতি গুরুত্বপূর্ণ ফাইলটা মাসের পর মাস টেবিলে আটকে থাকে, নিশ্চিত কোনো সুযোগ শেষ মুহূর্তে হাতছাড়া হয়ে যায়—এমন পরিস্থিতিতে মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়ে। মনে হয়, চারদিকে যেন এক অদৃশ্য দেয়াল সব পরিকল্পনাকে রুখে দিচ্ছে। কিন্তু আধ্যাত্মিক গবেষক ও আলেম সমাজ বলছেন, মানুষের শক্তি যেখানে শেষ হয়, স্রষ্টার রহমত সেখান থেকেই শুরু হয়।

    সব বাঁধা জয় করে আটকে থাকা কাজ খুলে দেওয়ার জন্য তারা পবিত্র কুরআনের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী আয়াতের প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন, যা নবী মুসা (আ.)-এর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল।

    সূরা ত্বাহা’র সেই ঐশ্বরিক চাবিকাঠি

    হজরত মুসা (আ.) যখন ফেরাউনের মতো পরাক্রমশালী শত্রুর মুখোমুখি হতে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি আল্লাহর কাছে এক বিশেষ দোয়া করেছিলেন। সূরা ত্বাহা’র ২৫ থেকে ২৮ নম্বর এই আয়াতগুলো বর্তমানে যে কোনো কঠিন বাধা দূর করার চাবিকাঠি হিসেবে পরিচিত:

    “রব্বিশরাহ লি সদরী, ওয়া ইয়াসসির লি আমরী, ওয়াহলুল উক্বদাতাম মিন লিসানী, ইয়াফকাহু কাওলী।” > (অর্থ: হে আমার প্রভু! আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দাও, আমার কাজ সহজ করে দাও, আমার জিহ্বার গাঁট খুলে দাও, যাতে মানুষ আমার কথা বুঝতে পারে।)

    সাফল্যের ৭ দিনের বিশেষ পদ্ধতি

    ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, পূর্ণ বিশ্বাস নিয়ে টানা ৭ দিন একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে এই আমলটি করলে অভাবনীয় ফলাফল পাওয়া যায়:

    ১. সকালের শুরু: প্রতিদিন ফজর বা দিনের কাজ শুরুর আগে ১১ বার দোয়াটি পাঠ করা।

    ২. সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য: যে কাজটি আটকে আছে, সেটির কথা মনে করে আল্লাহর কাছে একান্ত মনে সাহায্য চাওয়া।

    ৩. ধারাবাহিকতা: মনের দৃঢ়তা নিয়ে একটানা ৭ দিন আমলটি চালিয়ে যাওয়া।

    দ্রুত ফল লাভের অতিরিক্ত ৪টি টিপস

    আমলের পাশাপাশি বিশেষজ্ঞরা আরও ৪টি বিষয়ে জোর দিয়েছেন:

    • বেশি বেশি ইস্তিগফার: গুণাহ রিজিকের পথে বাধা সৃষ্টি করে, যা ইস্তিগফারের মাধ্যমে দূর হয়।

    • দরুদ শরীফ: দোয়ার আগে ও পরে অন্তত ৩ বার দরুদ শরীফ পাঠ করা কবুল হওয়ার গতি বাড়িয়ে দেয়।

    • সদকা বা দান: বিপদ দূর করার শ্রেষ্ঠ উপায় হলো সামর্থ্য অনুযায়ী দান করা।

    • সিজদায় প্রার্থনা: সিজদাবনত অবস্থায় নিজের ভাষায় আল্লাহর কাছে আকুতি জানানো।

    পরিস্থিতি যত কঠিনই হোক না কেন, স্রষ্টার ওপর গভীর বিশ্বাস নিয়ে এই আমলটি করলে জীবন ও কর্মক্ষেত্রে নতুন পথ খুলে যায়। মুসা (আ.)-এর সেই বিশ্বাস আজ আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা। যখন সব দরজা বন্ধ হয়ে যায়, তখন কেবল একটি দোয়াই পারে জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ