রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • একা সিটি করপোরেশনের পক্ষে মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়: আবদুস সালাম ২ মে সিলেট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শ্যামলীতে হাসপাতালে চাঁদাবাজির অভিযোগ, রাতেই ছুটে গেলেন যুবদল নেতারা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণের ধারণা মুছে দেব: বাণিজ্যমন্ত্রী সাংস্কৃতিক বিনিময় দুই দেশের মৈত্রীকে আরও সুদৃঢ় করবে: ভারতীয় হাইকমিশনার বিমানবন্দরে অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, উন্নত চিকিৎসায় ঢাকায় স্থানান্তর সবজির বাজারে ক্রেতাদের দীর্ঘশ্বাস: ১০০ টাকার নিচে মিলছে না কিছুই চট্টগ্রামে শপিং কমপ্লেক্সে আগুন, পাঁচ ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে অন্তর্বর্তী সরকারের ২০ অধ্যাদেশ শনিবার থেকে অকার্যকর আ.লীগসহ বাংলাদেশে কখন কোন কোন দল নিষিদ্ধ হয়েছিল
  • ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠুন এই ৭ দিনের পরীক্ষিত আমলে

    ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠুন এই ৭ দিনের পরীক্ষিত আমলে
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    মাঝে মাঝে জীবনটা এক জায়গায় থমকে যায়। দিনরাত আপ্রাণ চেষ্টা, হাড়ভাঙা খাটুনি, তবুও কাঙ্ক্ষিত সাফল্যের দেখা মেলে না। অতি গুরুত্বপূর্ণ ফাইলটা মাসের পর মাস টেবিলে আটকে থাকে, নিশ্চিত কোনো সুযোগ শেষ মুহূর্তে হাতছাড়া হয়ে যায়—এমন পরিস্থিতিতে মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়ে। মনে হয়, চারদিকে যেন এক অদৃশ্য দেয়াল সব পরিকল্পনাকে রুখে দিচ্ছে। কিন্তু আধ্যাত্মিক গবেষক ও আলেম সমাজ বলছেন, মানুষের শক্তি যেখানে শেষ হয়, স্রষ্টার রহমত সেখান থেকেই শুরু হয়।

    সব বাঁধা জয় করে আটকে থাকা কাজ খুলে দেওয়ার জন্য তারা পবিত্র কুরআনের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী আয়াতের প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন, যা নবী মুসা (আ.)-এর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল।

    সূরা ত্বাহা’র সেই ঐশ্বরিক চাবিকাঠি

    হজরত মুসা (আ.) যখন ফেরাউনের মতো পরাক্রমশালী শত্রুর মুখোমুখি হতে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি আল্লাহর কাছে এক বিশেষ দোয়া করেছিলেন। সূরা ত্বাহা’র ২৫ থেকে ২৮ নম্বর এই আয়াতগুলো বর্তমানে যে কোনো কঠিন বাধা দূর করার চাবিকাঠি হিসেবে পরিচিত:

    “রব্বিশরাহ লি সদরী, ওয়া ইয়াসসির লি আমরী, ওয়াহলুল উক্বদাতাম মিন লিসানী, ইয়াফকাহু কাওলী।” > (অর্থ: হে আমার প্রভু! আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দাও, আমার কাজ সহজ করে দাও, আমার জিহ্বার গাঁট খুলে দাও, যাতে মানুষ আমার কথা বুঝতে পারে।)

    সাফল্যের ৭ দিনের বিশেষ পদ্ধতি

    ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, পূর্ণ বিশ্বাস নিয়ে টানা ৭ দিন একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে এই আমলটি করলে অভাবনীয় ফলাফল পাওয়া যায়:

    ১. সকালের শুরু: প্রতিদিন ফজর বা দিনের কাজ শুরুর আগে ১১ বার দোয়াটি পাঠ করা।

    ২. সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য: যে কাজটি আটকে আছে, সেটির কথা মনে করে আল্লাহর কাছে একান্ত মনে সাহায্য চাওয়া।

    ৩. ধারাবাহিকতা: মনের দৃঢ়তা নিয়ে একটানা ৭ দিন আমলটি চালিয়ে যাওয়া।

    দ্রুত ফল লাভের অতিরিক্ত ৪টি টিপস

    আমলের পাশাপাশি বিশেষজ্ঞরা আরও ৪টি বিষয়ে জোর দিয়েছেন:

    • বেশি বেশি ইস্তিগফার: গুণাহ রিজিকের পথে বাধা সৃষ্টি করে, যা ইস্তিগফারের মাধ্যমে দূর হয়।

    • দরুদ শরীফ: দোয়ার আগে ও পরে অন্তত ৩ বার দরুদ শরীফ পাঠ করা কবুল হওয়ার গতি বাড়িয়ে দেয়।

    • সদকা বা দান: বিপদ দূর করার শ্রেষ্ঠ উপায় হলো সামর্থ্য অনুযায়ী দান করা।

    • সিজদায় প্রার্থনা: সিজদাবনত অবস্থায় নিজের ভাষায় আল্লাহর কাছে আকুতি জানানো।

    পরিস্থিতি যত কঠিনই হোক না কেন, স্রষ্টার ওপর গভীর বিশ্বাস নিয়ে এই আমলটি করলে জীবন ও কর্মক্ষেত্রে নতুন পথ খুলে যায়। মুসা (আ.)-এর সেই বিশ্বাস আজ আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা। যখন সব দরজা বন্ধ হয়ে যায়, তখন কেবল একটি দোয়াই পারে জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন