সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • বাংলাদেশের দুর্গম চরাঞ্চলে ৮ লাখের বেশি রোগীকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে লাইফবয় ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল সরকারের বড় সাফল্য স্বাস্থ্যখাতের ওপর নির্ভর করছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাপান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান অপ্রতিম হত্যায় অন্য কোনো কারণ ছিল কি না, উঠছে প্রশ্ন মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় এমপি গাজী নজরুলসহ প্রথম স্ত্রী গ্রেপ্তার, মামলা লাইব্রেরিতে বই হাতে অপু বিশ্বাস, কী বার্তা দিচ্ছেন তিনি! স্মার্টফোনে ভালো ছবি তুলতে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলায় একই পরিবারের ৩ জন নিহত যাত্রাবাড়ীতে পরিত্যক্ত ব্যাগ থেকে ১০ ককটেল উদ্ধার নমপেনে অনলাইন স্ক্যাম: ৯ বাংলাদেশি নাগরিক আটক
  • গুনাহ: ছোট ও বড়—দুঃখজনক প্রভাব ও সতর্কবার্তা

    গুনাহ: ছোট ও বড়—দুঃখজনক প্রভাব ও সতর্কবার্তা
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে গুনাহ বা পাপের গুরুত্ব নিয়ে সম্প্রতি বিশেষ আলোচনা প্রকাশিত হয়েছে। ছোট পাপও উপেক্ষা করলে তা বড় গুনাহে পরিণত হতে পারে এবং মানুষকে আধ্যাত্মিক ক্ষতির দিকে ঠেলে দেয়।

    গুনাহ শব্দটি মূলত ফারসি হলেও, বাংলায় এটি ‘পাপ’ নামে পরিচিত। বাংলা অভিধানে এর অর্থ হিসেবে উল্লেখ আছে—অন্যায়, কলুষ, দুষ্কৃতি ইত্যাদি। আরবিতে গুনাহ বোঝাতে আল ইছম, আল খাত্বা, আল খাতিআহ, আল মাসিয়াহ, আল জুর্ম, আয্ জান্ব ইত্যাদি পরিভাষা ব্যবহার করা হয়। তবে এসবের মূল অর্থ একই—আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আদেশের বিরুদ্ধে কাজ করা, প্রকাশ্য বা গোপনে।

    একজন মুমিন হিসেবে মনকে পাপমুক্ত রাখা অত্যন্ত জরুরি। মহান আল্লাহ ইউসুফ (আ.)-এর ভাষ্য অনুযায়ী, মানুষ প্রাকৃতিকভাবে মন্দপ্রবণ হলেও, আল্লাহর দয়া ও ক্ষমাশীলতায় নিজেকে নির্দোষ মনে রাখা যায়।

    রাসুল (সা.) হাদিসে বলেছেন, মুমিন ব্যক্তি তার গুনাহকে এত গুরুত্বের সঙ্গে মনে রাখে যেন সে একটি পর্বতের নিচে বসে আছে এবং ভয় করছে সেটি ধসে পড়বে। অন্যদিকে, পাপিষ্ঠ ব্যক্তি ছোট পাপগুলোকে নগণ্য মনে করে।

    হাদিসে আরও বলা হয়েছে, ছোট ছোট গুনাহও ব্যক্তি ধ্বংসের কারণ হতে পারে। তাই এসব পাপ থেকে বাঁচা অত্যন্ত জরুরি। ইমাম গাজালি (রহ.) ও ইমাম ইবনে কায়্যিম (রহ.) বলছেন, গুনাহের প্রভাব দেহ ও মনের ওপর গুরুতর, যেমন—ইলম থেকে বঞ্চনা, রিজিক থেকে বঞ্চনা এবং একাকিত্ব অনুভব।

    সাহাবিদের জীবন এই শিক্ষা বহন করে। আবু বকর (রা.) একবার বিতর্কের সময় অনিচ্ছাকৃতভাবে পাপের দিকে যেতেও ক্ষমা চেয়ে তা সংশোধন করেছিলেন। রাসুল (সা.)-এর নির্দেশনায় তিনি অনুতপ্ত হয়ে পুনরায় সঠিক পথে ফিরে এসেছিলেন।

    ছোট পাপকে তুচ্ছজ্ঞান করা মানব জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ। তাই প্রতিনিয়ত সতর্ক থাকা, অন্তরের শুদ্ধতা রক্ষা এবং পাপ থেকে বিরত থাকা প্রত্যেক মুমিনের জন্য অপরিহার্য।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ