বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • স্কুল চলাকালীন যানজট কমাতে প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ মালয়েশিয়া থেকে ২৭ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ পৌঁছেছে জ্বালানি সাশ্রয়ে বড় পদক্ষেপ: সাপ্তাহিক ছুটি বৃদ্ধি ও অনলাইন ক্লাসের প্রস্তাব যাচ্ছে মন্ত্রিসভায় সাবেক সংসদ সদস্যের স্ত্রীর ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা আজ নির্ধারণ হচ্ছে জ্বালানি তেলের নতুন দাম হারের বৃত্ত ভাঙতে সন্ধ্যায় মাঠে নামছে বাংলাদেশ পবিত্র ওমরাহ করতে জেদ্দায় নাহিদ ইসলাম দেশে শেষ ৬ টিকার মজুত, ঝুঁকিতে শিশুর স্বাস্থ্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিরোধীদলীয় নেতার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ বিশ্বকাপের টিকিট এখনো অনিশ্চিত যেসব দলের
  • হামসহ ১০ ধরনের টিকা দ্রুত দেশে পৌঁছাবে

    হামসহ ১০ ধরনের টিকা দ্রুত দেশে পৌঁছাবে
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন, দেশে হামের প্রাদুর্ভাব ও শিশু মৃত্যুর হার নিয়ন্ত্রণে হামসহ ১০ ধরনের টিকার টাকা পরিষোধ করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে টিকা পৌঁছাবে।

    মঙ্গলাবার (৩১ মার্চ) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি জানান, হামসহ ১০ ধরনের টিকা সংগ্রহে সরকার এরই মধ্যে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে এবং এ অর্থ ইউনিসেফকে পরিশোধ করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে টিকা দেশে পৌঁছাবে এবং ডোজ হাতে পেলেই সারাদেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হবে।

    সচিব বলেন, করোনা মহামারি চলাকালীন টিকাদান কার্যক্রমে কিছুটা স্থবিরতা তৈরি হয়েছিল। সেই ঘাটতি পূরণে এবার বৃহৎ পরিসরে টিকাদান কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। যার মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে।

    রাজশাহীতে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে স্বাস্থ্য সচিব বলেন, রাজশাহীতে শিশু মৃত্যুর জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি। আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল। সেগুলোর ভিত্তিতে আমরা কাজ করছি। হাম নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে যাওয়ার কথা বলা হচ্ছে এবং পত্রিকায় এসেছে। আমরা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটা প্রতিবেদনও পেয়েছি, উনারা বলেছেন যে সবাই কিন্তু হামে মারা যায়নি। অন্য জটিলতা নিয়েও তারা হাসপাতালে এসেছিলেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে আমরা এটিকে নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।

    তিনি বলেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর চাপ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। ১২০০ শয্যার এই হাসপাতালে বর্তমানে প্রায় ৩ হাজারের বেশি রোগী চিকিৎসাধীন থাকায় সেবাদানে বিঘ্ন ঘটছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় হামে আক্রান্ত নয়, এমন জটিল রোগীদের বিকল্প হাসপাতালে স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আইসোলেশন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা হচ্ছে। অতিরিক্ত শয্যা ও চিকিৎসা সুবিধা বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    সচিব জানান, রাজশাহীতে নির্মাণ শেষ হওয়ার পরও পড়ে থাকা ২০০ শয্যার শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি চালু হলে চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর চাপ অনেকটাই কমবে। পাশাপশি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর ঘাটতি পূরণে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ বিভাগগুলোতে জনবল বাড়ানো হবে। সেইসঙ্গে হাসপাতালের সংকট মোকাবিলায় এরই মধ্যে নতুন ভেন্টিলেটর সরবরাহ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া চলছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন