মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মিরপুরে পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারিয়ে টেস্ট সিরিজে এগিয়ে বাংলাদেশ হাম আক্রান্ত হয়ে একদিনে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত, তীব্র নিন্দা ঢাকার পশুর হাটে নিরাপত্তায় আসছে হটলাইন ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিরপুর টেস্টে নাটকীয় মোড়, জয়ের খুব কাছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণা ও উদ্ভাবনে এগিয়ে আসার আহ্বান অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বড় চমক: ‘মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার’ হলে মিলবে গাড়ি মার্কেট খোলা রাখার সময়সীমা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত সিলেটেই হচ্ছে দ্বিতীয় টেস্ট, অপরিবর্তিত বাংলাদেশ স্কোয়াড ঘোষণা মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, ঈদের আগেই দেশে আনার চেষ্টা
  • স্বাধীনতার অঙ্গীকারে নতুন প্রত্যয়

    স্বাধীনতার অঙ্গীকারে নতুন প্রত্যয়
    ছবি: এআই
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আজ ২৬ মার্চ, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে এই দিনটি এক অবিস্মরণীয় মাইলফলক। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরোচিত গণহত্যার মধ্য দিয়েই শুরু হয় বাঙালির মুক্তির সংগ্রাম। সেই অগ্নিঝরা পথ পেরিয়ে অর্জিত হয় স্বাধীনতা—একটি লাল-সবুজ পতাকা, একটি স্বতন্ত্র রাষ্ট্র, বাংলাদেশ।

    স্বাধীনতার এই দিনে আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের—যারা বুকের রক্ত দিয়ে এ দেশের মাটি রক্ষা করেছেন। তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীনতা, পেয়েছি নিজের ভাষায় কথা বলার অধিকার, নিজের মতো করে বাঁচার স্বপ্ন।

    রাষ্ট্রীয়ভাবে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে। জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন, একত্রিশবার তোপধ্বনি, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান—সবকিছুই আমাদের সেই গৌরবময় ইতিহাসের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। তবে আনুষ্ঠানিকতার বাইরেও স্বাধীনতার প্রকৃত তাৎপর্য উপলব্ধি করা জরুরি।

    স্বাধীনতা কেবল একটি ভূখণ্ডের নাম নয়; এটি একটি চেতনা, একটি দায়িত্ব। এই দায়িত্ব হলো ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র, সাম্য ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করা। স্বাধীনতার ৫০ বছরের বেশি সময় পার হলেও এখনো আমাদের সামনে নানা চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে—সুশাসন নিশ্চিত করা, দুর্নীতি রোধ, বৈষম্য দূর করা এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তোলা।

    তরুণ প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার ইতিহাস তুলে ধরা এবং তাদের মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত করা আজকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কারণ তারাই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়বে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে যদি আমরা এগিয়ে যেতে পারি, তবেই এই স্বাধীনতার প্রকৃত মর্যাদা রক্ষা করা সম্ভব হবে।

    আজকের এই দিনে আমাদের প্রত্যয় হোক—শহিদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করব। তাহলেই স্বাধীনতার এই অর্জন হবে সত্যিকার অর্থে অর্থবহ।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ