স্বাধীনতা ও জাতীয় ঐক্যের প্রতীক

২৬শে মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গৌরবময় ও স্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর নৃশংস দমনপীড়নের পর রাতের আঁধারে দেশের সার্বভৌমত্ব ঘোষণা করা হয়। তখনকার সেনা ও রাজনীতিবিদ জিয়াউর রহমান এই স্বাধীনতার ঘোষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি সামরিক নেতৃত্বে মুক্তিবাহিনীকে সংগঠিত করে দেশের স্বাধীনতার জন্য সুশৃঙ্খল প্রতিরোধ গড়ে তোলেন এবং জাতিকে স্বাধীনতার পথে এগিয়ে নেওয়ার দিকনির্দেশ দেন। এই কারণে তাকে স্বাধীনতার ঘোষক ও মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে স্মরণ করা হয়।
২৬শে মার্চের উদযাপনে সকাল ৩১-তোপধ্বনি, সরকারি ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং কুচকাওয়াজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানগুলো শুধুমাত্র অতীত স্মরণে নয়, বরং জাতীয় ঐক্য ও দেশের প্রতি ভালোবাসার প্রতীক।
জাতীয় ইতিহাস আমাদের শেখায় যে, স্বাধীনতা অর্জন সহজ নয়। তা রক্ষা করতে হলে ঐক্য, নেতৃত্ব, ত্যাগ ও সাহস অপরিহার্য। জিয়াউর রহমানের নেতৃত্ব মুক্তিযুদ্ধের সূচনা এবং দেশের স্বাধীনতা অর্জনে যে সাহস ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রদর্শন করেছে, তা আমাদের নতুন প্রজন্মের জন্য শিক্ষা ও প্রেরণার উৎস।
২৬শে মার্চ আমাদের স্মরণ করায় যে, প্রতিটি প্রজন্মকে দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের মর্যাদা রক্ষা করতে হবে। এটি শুধুমাত্র অতীতের ইতিহাস নয়, বরং ভবিষ্যতের দিকে দৃঢ় প্রত্যয় ও শক্তিশালী জাতি গঠনের দিক নির্দেশক।