বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মিরাজ-তাইজুলের ঘূর্ণিতে চাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, এগিয়ে বাংলাদেশ উড্ডয়নের আগে প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে ত্রুটি, ঢাকায় ফিরতে বিলম্ব শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের এমডি হলেন অভিনেতা শিবা শানু ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৮৮৬ জন তাহসিফের মৃত্যুর বিষয়ে তদন্তের আগে মন্তব্য নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহাদেবপুরে গ্রাম আদালতের বিচারিক কার্যক্রম পরিদর্শনে ডিডিএলজি সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৭ মৃত্যু, নতুন রোগী ১,৩১৫ কর্মসংস্থান ও পর্যটন খাতে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ-মালদ্বীপ ৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব পাঠ্যবই সরবরাহের নির্দেশ
  • ঝুঁকি কাটিয়ে উঠার পর অহংকার ফিরে এসেছে

    ঝুঁকি কাটিয়ে উঠার পর অহংকার ফিরে এসেছে
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর বাংলা গানের ‘যুবরাজ’ খ্যাত জনপ্রিয়। সম্প্রতি তিনি সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যুতে নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন। এবার তিনি তিন দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গন ও সংগীতশিল্পীদের সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে উদ্বেগ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন।

    শুক্রবার এক ফেসবুক পোস্টে আসিফ করোনাকালীন তিক্ত অভিজ্ঞতা এবং বর্তমান ইন্ডাস্ট্রির দুরবস্থার কথা উল্লেখ করে লেখেন, ‘পবিত্র রমজান মাস এলেই করোনাকালীন যন্ত্রনা তাড়িয়ে বেড়ায়। এমনিতেই বাংলাদেশের সমস্ত সমস‍্যা প্রতিফলিত হয় সংস্কৃতি অঙ্গনে, প্রথম চালানেই বন্ধ হয় সংগীতের কার্যক্রম।

    এই দেশে শিল্পীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সামাজিক নিরাপত্তা প্রাপ্তির কোনো অপশন নেই। ব‍্যাংক লোন দেয় না। বাড়ীওয়ালা দেয় না বাসা ভাড়া। তবূও থেমে নেই চর্চা, চলছে পেশা নিয়ে টিকে থাকার যুদ্ধ।’

    করোনার সেই দুঃসময়ের স্মৃতিচারণ করে তিনি লেখেন, ‘করোনার সময় আমরা রেকর্ডিং করতাম মোবাইল ফোনে। স্টুডিও বন্ধ, টেকনিশিয়ান নাই, সব কাজ হতো বাসায় অবস্থান করেই। নিরাপত্তা আতঙ্কে মিউজিশিয়ানরা কেউ চলে গেছেন শহর ছেড়ে, কেউ প্রবাসে, কেউ বদলে ফেলেছেন পেশা। তবুও শুকরিয়া- ধ্রুব গুহ দাদার মত দুই-একজন বোকা প্রডিউসার ছিলেন আমাদের পাশে।’ 

    দেশের বর্তমান মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে আসিফ বলেন, ‘এখন দেশে মিউজিক বা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি বলে কিছু নেই। আছে সেগুলোর কঙ্কালসার অবয়ব। এই অবয়ব দিয়ে ল‍্যাবেও (গবেষণা) কাজ হবে না।’

    সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথে একদল ‘চাটুকার’ শ্রেণির উত্থান-পতনকে তিনি ‘টম অ্যান্ড জেরি’ গল্পের সাথে তুলনা করেছেন। আসিফের কথায়, ‘যেভাবে সরকার যায় সরকার আসে, ঠিক সেভাবেই চাটুকারের দল যায়, চাটুকারের দল আসে। একঘেয়ে গালভরা বুলি আর স্বপ্ন পোড়া ছাই।

    এই টম এন্ড জেরির গল্প যেন শেষ হবার নয়! করোনা শিক্ষা আর আতঙ্ক নিয়ে এসেছিল, চলেও গেছে। আমরা সব ভুলে যাই বরাবরের মতো, বিপদ কেটে যাওয়ায় আবারও হয়ে গেছি অহংকারী। সংস্কৃতিকর্মীদের নিজেদের স্বার্থপরতায় প্রতি পদে পদে নিহত হয় সম্ভাবনা। আর সাংস্কৃতিক বলয়ে ছড়ি ঘোরায় অভিশপ্ত পদাতিক।’


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন