শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মিরাজ-তাইজুলের ঘূর্ণিতে চাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, এগিয়ে বাংলাদেশ উড্ডয়নের আগে প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে ত্রুটি, ঢাকায় ফিরতে বিলম্ব শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের এমডি হলেন অভিনেতা শিবা শানু ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৮৮৬ জন তাহসিফের মৃত্যুর বিষয়ে তদন্তের আগে মন্তব্য নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহাদেবপুরে গ্রাম আদালতের বিচারিক কার্যক্রম পরিদর্শনে ডিডিএলজি সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৭ মৃত্যু, নতুন রোগী ১,৩১৫ কর্মসংস্থান ও পর্যটন খাতে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ-মালদ্বীপ ৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব পাঠ্যবই সরবরাহের নির্দেশ
  • গ্রীনকার্ড পেলেন ঢালিউডের অমিত হাসান ও শাকিব খান

    গ্রীনকার্ড পেলেন ঢালিউডের অমিত হাসান ও শাকিব খান
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়ক অমিত হাসান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। বাংলাদেশে তেমন সময় না কাটালেও দীর্ঘদিন ধরেই তিনি আমেরিকায় আছেন। ২০২৩ সালে অমিত হাসানের পরিবার আমেরিকার গ্রীনকার্ড পেয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি নিশ্চিত করেছেন, তার সহকর্মী এবং চলচ্চিত্রের আরেক শীর্ষ অভিনেতা শাকিব খানও ২০২২ সালে গ্রীনকার্ডের অনুমোদন পান।

    ঢাকা থেকে নিউইয়র্ক—দুই শহরের মাঝেই এখন চলছে অমিত হাসানের জীবন-ব্যস্ততা। শুটিংয়ের প্রয়োজন হলেই আমেরিকা থেকে দেশে ফিরে আসেন তিনি। ভক্তদের মতে, ঢালিউডের এই জনপ্রিয় নায়কের জীবনে এটি এক নতুন অধ্যায়। কেননা আমেরিকার স্থায়ী বাসিন্দা হয়েও তিনি দেশে সিনেমার শুটিং থাকলেই চলে আসেন।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য প্রথমবার আমেরিকায় যান অমিত হাসান। এরপর ২০১৭ সালে স্ত্রী সন্তানসহ অবকাশের জন্য আবারও যান। পরবর্তীতে সন্তানদের পড়াশোনার জন্য পরিবারসহ বসবাসের পরিকল্পনা নেন তিনি। পরিকল্পনা অনুযায়ী গ্রিনকার্ডের জন্য আবেদন করেন অমিত হাসান ও তার পরিবারের সদস্যরা। প্রক্রিয়া শেষে ২০২৩ সালে স্পেশাল ক্যাটাগরি (ইবি-ওয়ান) ভিসার আওতায় সফলভাবে গ্রিনকার্ডের অনুমোদন পান তারা। একই সময়ে অমিত হাসান, তার স্ত্রী ও কন্যা সন্তান এই স্থায়ী বসবাসের অধিকার লাভ করেন বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

    অমিত হাসান জানান, ‘চলচ্চিত্র নায়কদের মধ্যে সর্বপ্রথম আমি ও শাকিব দুইজনেই আমেরিকায় বসবাসের জন্য গ্রিনকার্ডের অনুমোদন পাই। এরপর থেকেই বাংলাদেশ ও আমেরিকায় যাওয়া আসা আমার। আমার শুটিংয়ের সময় আমি দেশে আসি, আবার শুটিংয়ের কাজ না থাকলে আবার আমেরিকায় আসি। কারণ এখানে আমার স্ত্রী ও সন্তানরা আছেন।

    তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বর্তমানে দেশে সংবাদমাধ্যমের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। এর মধ্যে অনেকেই যাচাই–বাছাই না করেই সংবাদ প্রকাশ করছে। দায়িত্বশীলতার জায়গা থেকে সাংবাদিকতা করতে না পারলে সেটিকে সাংবাদিকতা বলা যায় না।’

    যারা গুজব ছড়াচ্ছেন তাদের উদ্দেশ্যে অমিত হাসান বলেন, ‘চলচ্চিত্রের নায়ক হওয়ার আগে আমি গাড়ি চালাই। আমার নিজের গাড়ি আছে। আমেরিকায় গাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করার জন্য আমেরিকায় গাড়ি চালানো শিখছি এটা ভুয়া তথ্য। এসব ভুয়া তথ্য দিয়ে আমার ভক্তদের বিভ্রান্ত করবেন না।’

    উল্লেখ্য, নব্বইয়ের দশকে ঢালিউডে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করা অমিত হাসান এখনো নিয়মিত চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন। দেশের বাইরেও অবস্থান করলেও দেশীয় সিনেমার সঙ্গে তার সংযোগ অব্যাহত রয়েছে।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন