বাদামি বা মেরুন রঙের রক্ত: নারীদের জন্য সতর্কতার ঝড়

গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন
অনেক নারী মাসিককে শুধুমাত্র রক্তপাত হিসেবে দেখেন। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে মাসিকের রঙ, ঘনত্ব ও গন্ধ শরীরের ভেতরের হরমোনাল এবং জরায়ুর অবস্থার গুরুত্বপূর্ণ সংকেত বহন করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু রক্ত আসছে কি না দেখলেই সব ঠিক আছে ধরে নেওয়া ভুল ধারণা।
ডাক্তারি ভাষায় এটি বোঝা যায় বিভিন্ন রঙের মাধ্যমে—
- উজ্জ্বল লাল রক্ত: সাধারণত স্বাভাবিক। তবে রক্ত খুব বেশি আসা, বড় বড় ক্লট বা তীব্র ব্যথা থাকলে হরমোনাল ইমব্যালেন্স বা জরায়ুর সমস্যা হতে পারে।
- গাঢ় লাল / মেরুন রঙ: রক্ত জরায়ুর মধ্যে কিছুক্ষণ জমে থাকা নির্দেশ করে। এর সম্ভাব্য কারণ হতে পারে প্রজেস্টেরন কম থাকা, জরায়ুর টোন দুর্বলতা, বা ফাইব্রয়েড/এডেনোমাইোসিস।
- বাদামি / কালচে রক্ত: পুরনো রক্তের সংকেত। এস্ট্রোজেন কম বা জরায়ুর আস্তরণ পাতলা থাকলে এমন রঙ দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন এ সমস্যা থাকলে ফার্টিলিটি বা ওভুলেশন সমস্যা হতে পারে।
- হালকা গোলাপি রক্ত: রক্তে সার্ভিকাল ফ্লুইড মিশে যাওয়া বা হরমোনাল দুর্বলতার নির্দেশ। সাধারণ কারণ: এস্ট্রোজেন কম, অতিরিক্ত ডায়েট, স্ট্রেস বা ওজন খুব কম থাকা।
- কালো রক্ত (দুর্গন্ধসহ): সংক্রমণ বা জরায়ু/যোনির ইনফেকশন নির্দেশ করে। একদম দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
- কমলা রঙের রক্ত: ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ বা সার্ভিকাল সমস্যা নির্দেশ করে, পরীক্ষা প্রয়োজন।
মাসিক নিয়মিত হওয়া মানেই সব ঠিক নয়। রঙ, পরিমাণ, ব্যথা ও গন্ধ—সবই গুরুত্বপূর্ণ মেডিক্যাল সংকেত। প্রয়োজনে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
দৈএনকে/জে, আ
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন