রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১৪৩০ নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ৫৮ এলাকায় এক লাখ ফ্ল্যাট নির্মাণের পরিকল্পনা জোড়া অভিষেকে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব দিলেন এমপি প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘ঐতিহাসিক’ বললেন আমান উল্লাহ আমান আকস্মিকভাবে স্পারসো পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিয়েতে ১০০ অতিথির বেশি হলে জনপ্রতি ১ হাজার টাকা করের প্রস্তাব ডিগ্রির সাময়িক সনদ ও ট্রান্সক্রিপ্ট বিতরণ শুরু, যা জানাল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বেক্সিমকোতে ফিরল ক্রেতা, আধাঘণ্টায় প্রায় ১০০ কোটি টাকার লেনদেন মার্কিন ঘাঁটি নিয়ে নতুন হুমকি ইরানের
  • শিশুর স্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে মায়ের করণীয়

    শিশুর স্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে মায়ের করণীয়
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    একটি শিশুর সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য অপরিহার্য। শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বড়দের তুলনায় কম থাকে, তাই তাদের খাবারের পরিচ্ছন্নতা ও গুণমানের বিষয়ে বিশেষ সতর্ক থাকতে হয়। ২০২৬ সালের আধুনিক স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী শিশুর নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে মায়ের করণীয়সমূহ নিচে তুলে ধরা হলো: 

    শিশুর খাবারের ক্ষেত্রে মায়ের প্রধান দায়িত্বসমূহ:

    ১. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা:

    • হাত ধোয়া: শিশুর খাবার প্রস্তুত করার আগে এবং শিশুকে খাওয়ানোর আগে মা নিজের এবং শিশুর হাত সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন।
    • বাসনপত্র জীবাণুমুক্ত করা: শিশুর ফিডার, বাটি, চামচ ও রান্নার সরঞ্জাম নিয়মিত গরম পানিতে ফুটিয়ে জীবাণুমুক্ত করুন। ইউনিসেফ বাংলাদেশ-এর নির্দেশিকা অনুযায়ী খাবারের পরিচ্ছন্নতা ডায়রিয়া প্রতিরোধে কার্যকর। 

    ২. বয়সভিত্তিক সঠিক খাদ্যাভ্যাস:

    • প্রথম ৬ মাস: এই সময়ে শিশুকে শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ খাওয়ান। এক ফোঁটা পানি বা বাইরের অন্য কোনো খাবারের প্রয়োজন নেই।
    • ৬ মাসের পর থেকে: পরিপূরক খাবার হিসেবে ঘরে তৈরি নরম খিচুড়ি, সবজি বা ফলের পিউরি শুরু করুন। বাইরের প্যাকেটজাত খাবারের চেয়ে ঘরে তৈরি টাটকা খাবার শিশুর জন্য সবচেয়ে নিরাপদ। 

    ৩. কাঁচামাল নির্বাচন ও সংরক্ষণ:

    • টাটকা খাবার: বাজার থেকে কেনা ফল বা সবজি ব্যবহারের আগে অন্তত ২০-৩০ মিনিট পরিষ্কার পানিতে ভিজিয়ে রাখুন যাতে ফরমালিন বা কীটনাশকের প্রভাব কমে।
    • সঠিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ: রান্না করা খাবার দীর্ঘক্ষণ সাধারণ তাপমাত্রায় রাখবেন না। দুই ঘণ্টার বেশি হলে তা ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন এবং খাওয়ানোর আগে ভালোভাবে গরম করে নিন। 

    ৪. বাইরের ও অস্বাস্থ্যকর খাবার বর্জন:

    • অতিরিক্ত চিনি, লবণ এবং প্রিজারভেটিভ যুক্ত খাবার (যেমন- চিপস, চকলেট, রঙিন কোমল পানীয়) শিশুকে দেবেন না।
    • রাস্তার খোলা খাবার বা রাস্তার ধারের দোকানের খাবার শিশুর পেটের অসুখের প্রধান কারণ হতে পারে। 

    ৫. নিরাপদ পানির নিশ্চয়তা:

    • শিশুকে সব সময় ফুটিয়ে ঠান্ডা করা নিরাপদ পানি পান করান। পানি অন্তত ২০ মিনিট টগবগ করে ফুটানো উচিত।

    শিশুর খাবারের বিষয়ে যেকোনো বিশেষ স্বাস্থ্যগত সমস্যা বা পুষ্টির অভাব বোধ করলে দেরি না করে নিকটস্থ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগাযোগ করুন। 
    মায়ের একটু সচেতনতা ও সঠিক যত্নই শিশুর উজ্জ্বল ও সুস্থ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারে।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ