শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ৭ সহকারী পুলিশ সুপার ও ৪৯ পরিদর্শককে বাধ্যতামূলক অবসর কমল সোনার দাম তিন দফা বৃদ্ধির পর জাহাজভাঙা কারখানায় বিস্ফোরণ: ৮ শ্রমিক নিহত ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল
  • সহকর্মীর গুলিতে প্রাণ গেল আনসার সদস্যের

    সহকর্মীর গুলিতে প্রাণ গেল আনসার সদস্যের
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ময়মনসিংহের ভালুকায় এক সহকর্মীর বন্দুকের গুলিতে বজেন্দ্র বিশ্বাস (৪০) নামে এক আনসার সদস্য নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় অভিযুক্ত ঘাতক আনসার সদস্য নোমান মিয়াকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

    সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার মেহরাবাড়ি এলাকায় সুলতানা সুয়েটার্স লিমিটেড কারখানায় এ ঘটনা ঘটে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডিউটি চলাকালীন তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে নোমান ও বজেন্দ্রর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে নোমান উত্তেজিত হয়ে নিজের কাছে থাকা অস্ত্র দিয়ে বজেন্দ্রকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত নোমান মিয়াকে অস্ত্রসহ আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। ভালুকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং এই বিষয়ে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। 


    নিহত আনসার সদস্য বজেন্দ্র বিশ্বাস সিলেট সদর উপজেলার কাদিরপুর গ্রামের প্রবিত্র বিশ্বাসের ছেলে। আর ঘাতক নোমান মিয়া সুনামগঞ্জ জেলার তাহেরপুর থানার বালুটুরি বাজার এলাকার লুৎফর রহমানের ছেলে। 


    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সুলতানা সুয়েটার্স লিমিটেড কারখানায় মোট ২০ জন আনসার সদস্য কর্মরত ছিলেন। ঘটনার সময় আনসার সদস্য নোমান মিয়া ও বজেন্দ্র দাস একসঙ্গে বসে ছিলেন। এ সময় নোমান মিয়ার হাতে থাকা শটগানের ছোড়া গুলিতে বজেন্দ্র দাসের বাম উরুতে গুরুতর জখম হয়। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বজেন্দ্র দাসকে মৃত ঘোষণা করেন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এবং লাবিব গ্রুপের দায়িত্বরত আনসার সদস্য এপিসি মো. আজাহার আলী জানান, ঘটনার সময় আনসার সদস্য নোমান মিয়া ও বজেন্দ্র দাস আমার রুমে একসঙ্গে বসে ছিলেন। হঠাৎ বজেন্দ্র দাসের উরুতে বন্দুক (শটগান) ঠেকিয়ে ‘গুলি করে দেই’ বলেই গুলি করে দেয়। এরপর নোমান পালিয়ে যায়। কিন্তু এর আগে আমি তাদের মধ্যে কোনো বাকবিতণ্ডা বা তর্ক-বিতর্ক হতে দেখিনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


    এ বিষয়ে জানতে চাইলে সোমবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত নোমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে গভীর তদন্ত শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান তিনি।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন